বৃহস্পতিবার ৪ জুন ২০২৬ , (১০:৫৪ PM) / ২১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রামগতিতে শিশু ধর্ষনের অভিযোগে বিএনপি নেতার শাস্তি এক চড় ও ক্ষমা প্রার্থনা

রামগতিতে শিশু ধর্ষনের অভিযোগে বিএনপি নেতার শাস্তি এক চড় ও ক্ষমা প্রার্থনা

<p>লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে সাড়ে তিন বছরের শিশু কন্যাকে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ধর্ষনের ঘটনায় পৌর বিএনপির সেক্রেটারির নেতৃত্বে সালিশ বৈঠকে ধর্ষক রুবেলকে একটি চড় দিয়ে ভিকটিমের বাবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনার শর্তে অভিযোগ থেকে মুক্তিদান এবং ভিকটিমের পরিবারকে থানায় দাযেরকৃত মামলাটি প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হযেছে।</p> <p>ঘটনাসূত্রে জানাগেছে, উপজেলা রামগতি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলাল তার প্রতিবেশী একই ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ রুবেলের সাড়ে তিন বছরের শিশু কন্যাকে বাদাম খাওযানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠে। ঘটনাটি ঘটে গত গত ১৭ মে। খবর পেয়ে শিশুর বাবা কক্সবাজার থেকে ছুটে এসে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের জন্য স্থানীয় পৌর শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ মাহফুজসহ কয়েকজনকে জানায়। তারা বিষয়টি নিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকলে শিশুটির পরিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান।</p> <p>উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভিকটিমের জবানবন্দি শুনে তার পরিবারকে থানায় মামলা দায়েরের জন্য বলেন। পরবর্তীতে তারা রামগতি থানা মামলা রজ্জু করেন। মামলার পরবর্তীতে রামগতির থানার ইনচার্জ লিটন দেওয়ান ভিকটিমের জবানবন্দি নেয় এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রমে সক্রিয়তা দেখালেও পরবর্তীতে থানা পুলিশ হঠাৎ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তবে ভিকটিমের পরিবার বিষয়টি স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান ঘটনার বিস্তারিত শুনে বিচারের আশ্বাস দেন। গত ৩১ মে পৌর বিএনপির সেক্রেটারি মুর্তজা আল আমিন-এর নেতৃত্বে আকস্মিক এক সালিশ বৈঠকে বসে। এতে ভিকটিমের পরিবারকে ডেকে আনা হয়। ওই সালিশি বৈঠকে মোঃ বেলালের বর্তমান ঘটনা ছাড়াও পূর্বের কৃতকর্মের বর্ণনা উঠে আসে। জানাযায়, ইতোপূর্বেও সে নিজের পুত্রবধূকে ধর্ষন ও ভাইয়ের বৌকে ধর্ষন চেষ্টা করেছিল।</p> <p>সালিশে উপস্থিত বিএনপি নেতা মোঃ মাহফুজ, মোঃ শাহজাহান, সুমন, রাকিব ও প্রিন্সসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে ভিকটিমের বাবার সামনে ধর্ষককে বিএনপি নেতা মুর্তজা আল আমিন ভর্ৎসনা করেন ও পিঠে ১টি থাপ্পর দেন। এ ঘটনার সালিশে শাস্তিস্বরূপ ১০টি বেত্রাঘাত ধার্য করা হয় এবং পরবর্তীতে ধর্ষকের স্বজনদের অনুরোধে বেত্রাঘাত না দিয়ে শুধু ক্ষমা চাওয়ার শর্তে সালিশ সমাপ্ত করা হয়। এ সময় বলা হয়, &quot;শাস্তির কথা বলা আর শাস্তি দেওয়া একই কথা।&quot; এ সময় তিনি ভিকটিমের পরিবারকে থানা থেকে মামলা তুলে নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।</p> <p>ভিকটিমের পরিবার পূর্ব থেকে এ সালিশ বৈঠক সম্পর্কে কিছুই জানতা বলে সালিশি বৈঠকে নিজেদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন এবং বৈঠক শেষে মামলা উঠিয়ে নেওয়ার নানাবিধ চাপে ভিকটিমের পরিবার ঘটনার পর থেকে বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে জানাযায়। তবে সালিশ বৈঠকের বিষযটি জানা নেই বলে রামগতি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি লিটন দেওয়ান জানান, আসামীকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।</p>

১ দিন আগে

বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার কৃতি সন্তান ও রায়পুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন রিংকু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নরসিংদী জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন হয়েছেন। তার পদায়নের খবরে রায়পুরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শুভেচ্ছার বন্যা বইছে। স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুভেচ্ছা বার্তায় বলা হয়েছে, সততা, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে আনোয়ার হোসাইন রিংকু এ পর্যায়ে পৌঁছেছেন। তার এই অর্জন শুধু রায়পুর নয়, পুরো লক্ষ্মীপুর জেলাকেই জাতীয় পর্যায়ে গৌরবান্বিত করেছে। রায়পুর পৌর এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, “আমরা গর্বিত যে, আমাদের এলাকায় জন্ম নেওয়া একজন যোগ্য সন্তান দেশের প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিযুক্ত হয়েছেন। আশা করি তিনি নরসিংদী জেলায় দায়িত্ব পালনকালে মানবিকতা, যোগ্যতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে জেলার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রায়পুরের সর্বস্তরের মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। তারা মনে করছেন, আনোয়ার হোসাইন রিংকুর এই অর্জন নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। সকলের প্রত্যাশা, নতুন দায়িত্বে তিনি সততা, দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করে নরসিংদীকে উন্নয়ন ও জনসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্তে পরিণত করবেন।

৮ মাস আগে

বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতির (বাকাসস ) লক্ষ্মীপুর জেলায় ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি পদে আল ইমরান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. তোহিদুর রহমানকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করা হয়। গত ২২ জুন শনিবার লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে তাদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সহ-সভাপতি মো. ইব্রাহিম, ক্যসুইউ মারমা ও জাবের হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে আবদুর রহিম, সহসাধারণ সম্পাদক পদে মো: মাহবুবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ আলাউদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুঃ মাহফুজুর রহমান, অর্থ সম্পাদক পদে জাহাঙ্গীর হোসেন, দপ্তর সম্পাদক পদে আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক পদে কাকন চন্দ্র দেবনাথ, পাঠাগার সম্পাদক পদে জুনায়েদ হোসেন, সাহিত্য সম্পাদক পদে ইমাম হোসেন, ক্রিড়া সম্পাদক পদে সুব্রত চন্দ্র পাল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আবু তাহের, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক পদে শাহাদাত হোসাইন, এবং মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে পিংকী রানী নাথকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এছাড়াও কমিটিতে সাত জন নির্বাহী সদস্য রয়েছে। নব কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছে কালেক্টরেট কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

১০ মাস আগে

লক্ষ্মীপুর জেলা কালেক্টরেট চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে মহসিন কবির ও সাধারণ সম্পাদক পদে মুস্তাফিজুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। গত শনিবার (৫ জুলাই) কালেক্টরেট কর্মচারীদের ভোটের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মহসিন কবির ৪৪ ভোট পেয়ে পুনরায় সভাপতি এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মুস্তাফিজ। কর্মচারীদের মোট ৬৫টি। তারমধ্যে ৬১টি জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচিত সভাপতির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ভোট পেয়েছেন ১০ টি। সাত ভোট বাতিল হয়েছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার। নবনির্বাচিত সভাপতি মহসিন কবির বলেন, আমাকে আবারও এই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করায় আমি আমার সকল সহযোদ্ধাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই কমিটির মেয়াদ যখন শেষ হবে তখন আমি অবসরে যাবো । তাই শেষ বারের মত আমাকে কালেক্টরেট কর্মচারীরা সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করায় সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আগামীর পথ চলায় তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। অতিতের ন্যায় নিজেদের দক্ষতার জায়গা থেকে বর্তমান নির্বাচিত কমিটি কালেক্টরেট কর্মচারীদের কল্যানে কাজ করা এবং সুখে দুঃখে তাদের পাশে থাকবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন কালেক্টরেট চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা।

১০ মাস আগে

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয় হাসিনা সরকার। এ দিনটিকেই এবার ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। গত রোববার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয় সরকারের পক্ষ থেকে। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই স্বৈরচার হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনে বুক পেতে দিয়ে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। যা ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলনে রূপ দেয়। এবার সেই ১৬ জুলাই তারিখকে স্মরণীয় করে রাখতে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ৮ আগস্ট কোনো বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হবে না বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফেসবুক পোস্টে প্রেস সচিব জানান, রোববার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এর আগে গত বুধবার (২৫ জুন) ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আলাদা পরিপত্র জারি করা হয়েছিল। পরিপত্রে দিবসটিকে প্রতি বছর যথাযথ মর্যাদায় প্রতিপালন করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছিল। দিবসটি পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছিল।তবে আজ সেটি বাতিল হয়ে গেল।

১১ মাস আগে

রাজনীতি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরের ৬টি উপজেলার অসহায় পরিবারের মাঝে নগদ ১০ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।  ‎‎সোমবার (১ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এ সহায়তা বিতরণ করা হয়।  ‎ ‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ও জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম। তিনি উপকারভোগীদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। ‎‎লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমার সভাপতিত্বে চেক বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের আমীর এসইউএম রুহুল আমিন ভুঁইয়া, সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্লাহ, জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কুমিল্লা অঞ্চল পরিচালক ওয়ারেছা আমিন, শহর জামায়াতের আমীর এডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান, রায়পুর পৌরসভা জামায়াতের আমীর ফজলুল করিম, জামায়াত নেতা আবদুর রহমান, মমিন উদ্দিনসহ আরও অনেকে।  ‎ ‎মারজিয়া বেগম বলেন,প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য যে বরাদ্দ দিয়েছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আল্লাহ দেওয়া আমানত আপনাদের যেটা হক তা পৌঁছে  দেওয়ার জন্য আজকে উপস্থিত করেছেন আমাকে।দোয়া চাচ্ছি যাতে ভবিষ্যতে আমি আমার অবস্থান থেকে অর্পিত দায়িত্ব যা যা আসবে।  সেটা যেন যথাযথভাবে আপনাদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো। কাজে সে দায়িত্ব যেন আমরা ঠিকভাবে পালন করতে পারি। কেউ যেন আমাদের দিকে আঙুল উঠাতে না পারে, তার জন্য চেষ্টা করবো। কোনো প্রকার প্রচার-প্রোপাগান্ডা নয়। মোট কথা হক গুলো যাতে যথাযথভাবে পৌঁছে দিতে পারি। ২০ লক্ষ জনশক্তির  মধ্যে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য এই বরাদ্দ নগণ্য। আমরা যদি এটা দিতে পারি তাহলে অন্তত শান্তনা পাবো। ভবিষ্যতে কেউ যাতে হক না মারতে পারে।

৩ দিন আগে

লক্ষ্মীপুরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ১৯৪টি গরু-ছাগল কোরবানি দেওয়া হয়েছে। এসব পশুর মাংস ২১ হাজার ২১৪ পরিবারে মধ্যে পৌঁছে দেন নেতাকর্মীরা। রোববার (৩১মে) সকালে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মহসিন কবির মুরাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জেলা জামায়াত সূত্রে জানা যায়, ‎জেলার বিভিন্ন পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৭৬টি গরু ও ১৮টি ছাগল কোরবানি দিয়েছে জামায়াত। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৯টি গরু, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় ৪৮টি, রামগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভায় ২৯টি, লক্ষ্মীপুর পৌরসভায় ৩১টি গরু ও ১টি ছাগল, রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় ২৯টি গরু ও ১৭টি  ছাগল কোরবানি দেওয়া হয়েছে। ‎ঈদের দিন ও পরদিন এসব কোরবানির মাংস অসহায় পরিবারের মধ্যে পৌঁছে দেন নেতাকর্মীরা। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্লাহ বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে এসব পশু আল্লাহর নামে কোরবানি দেওয়া হয়েছে। আমাদের সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ও সুধী-শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় পশুগুলো কোরবানি করে অসহায় পরিবারগুলোর কাছে মাংস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ‎‎লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের এস ইউ এম রুহুল আমীন ভূঁইয়া বলেন, ‘বহু বছর ধরে জামায়াতে ইসলামী মানবতার কল্যাণে কাজটি করে আসছে। যেসব পরিবার নানা কারণে কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য রাখেনি। তাদের এই কোরবানির মাংস পৌঁছে দেওয়া হয়। সংগঠনের ব্যবস্থাপনায় পুরো জেলায় ১৯৪টি পশু আল্লাহর নামে কোরবানি করা হয়। অতীতের মতো আল্লাহ সন্তুষ্টি অর্জন ও মানুষের কল্যাণে আগামী দিনেও আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।  

৪ দিন আগে

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, লক্ষ্মীপুর শহর শাখার উদ্যোগে ৪ শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে গোশত বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) সকালে পৌর শহরের দক্ষিণ তেমুহনী সংলগ্ন আল ইসলাম সোসাইটির অফিসে শিক্ষার্থীদের মাঝে গোশত বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শহর শাখার সভাপতি আব্দুল আউয়াল হামদু। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শহর শাখার সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন ফয়সাল, বায়তুল মাল সম্পাদক রাজীব হোসেন, শিক্ষা সম্পাদক শরিফ হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। লক্ষ্মীপুর শহর শাখা শিবিরের আওতাধীন মোট ২১টা ইউনিয়নে (সাংগঠনিক শাখা) চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে গোশত বিতরণ করা হয়। উপহার গ্রহণকালে শিক্ষার্থীরা ছাত্রশিবিরের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে ছাত্রশিবির অতীতেও পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

৬ দিন আগে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে লক্ষ্মীপুরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও গণসচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনা করেছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে পৌর শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঝটিকা পরিচ্ছন্নতা কাজের মাধ্যমে দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে এ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের সূচনা করেন। লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের সভাপতি আবদুল আলিম হুমায়ুন বলেন, “আমাদের প্রিয় নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি শহরকে মানুষের বাসযোগ্য ও সুন্দর রাখতে ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ কার্যক্রম ঘোষণা করেছেন। তাঁর সেই দূরদর্শী ও মানবিক নির্দেশক্রমে আমরা আজ লক্ষ্মীপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছি। আমরা কেবল রাস্তাঘাট পরিষ্কারই করছি না, পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও লিফলেট পৌঁছে দিচ্ছি। পর্যায়ক্রমে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে ও উপজেলায় অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমিন উল্লাহ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, অপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, জেলা ছাত্রদল নেতা জামাল হোছাইনসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি এমন চমৎকার সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুরের সুশীল সমাজ ও সাধারণ পৌরবাসী।

২ সপ্তাহ আগে

লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম লিটনের বিগত কমিটি বিলুপ্ত করে যুবদল নেতা আব্দুল আলিম হুমায়ুনকে সভাপতি ও সৈয়দ রশিদুল হাসান লিঙ্কন সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্য বিশিষ্টি নয়া কমিটি ঘোষণার পাঁচ মাসেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত গতহ ৮ জুলাই এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই ঘোষিত হয়। ঘোষিত চিঠিতে বলা হয়েছে কমিটি ঘোষণার আগামী এক মাসের মধ্যে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে। এমন নির্দেশনার অথচ পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো তা দৃশ্যমান নয়। ফলে কমিটিতে আসা সম্ভাব্য নেতাকর্মীরা ঝিমিয়ে পড়েছে। দলীয় কর্মকান্ডে অনেকটাই পিছ পা হয়ে চলছে।  আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের নিষ্ক্রিয়তা ফুটে উঠছে। আক্ষেপ প্রকাশ করছে অনেকেই। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে কেউ কেউ। সাধারণ যুবদল কর্মীরা মনে করছেন যুবদলের মতো অনেক একটি সংগঠন মাত্র দুইজনের কমিটি দিয়ে চলছে। ফলে দলের গতিশীলতা কমে যাচ্ছে দিন দিন। দ্রুত ১৫১ বিশিষ্ট কমিটি দেয়ার দাবী তাদের।  নব কমিটির সভাপতি আব্দুল আলীম হুমায়ুন নয়া চাঁদকে বলেন, কমিটি রেডি হয়েছে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সেন্ট্রালে জমা দেয়া হবে।       

৫ মাস আগে

  লক্ষ্মীপুর সদর পূর্ব বিএনপির সম্মেলন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। জেলা প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওঃ মাহমুদুল হাসান রাত আনুমানিক  ৯ টার দিকে গণমাধ্যমের নিকট পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তির হুবাহুব তুলা ধরা হলো-  লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন ও সেক্রেটারী মাওলানা জহির উদ্দিন আজ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। জনাব এ্যানি জনৈক জনসভায় বক্তব্য দানকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই সম্পর্কে অশ্লীল ও অশালীন মিথ্যা-বানোয়াট বক্তব্য দিয়েছে, তা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। এ্যানির মতো একজন ব্যক্তি এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য রাজনৈতিক এবং সচেতন মহলকে ব্যথিত করেছে।  নেতৃদ্বয় বলেন, বিএনপি হচ্ছে ডিরেক্ট স্বৈরাচারের সঙ্গী। কারণ তারা ২০১৮ সালের অবৈধ নির্বাচনকে স্বীকৃতি দিয়ে সংসদে তাদের ৬ জন এমপি পাঠিয়েছে। ২০১৮ এর ডামি নির্বাচনের স্বীকৃতি দানকারী দল হলো বিএনপি। এখন তারা পাগলের মত আবোল তাবোল বলে উঁদুুর পিন্ডি বুধুর ঘাড়ে চাপাতে চাচ্ছে। অর্থাৎ নিজেদের দোষ আড়াল করার হীন চেষ্টা করছে। পাবলিক সেন্টিমেন্টকে ভিন্ন দিকে ডাইভার্ট করার পাঁয়তারা করছে। জাতীয় চাঁদাবাজরা মিথ্যা ছাড়া কিছু বলতে পারে না। মিথ্যা কথা বলাই এ্যানি চৌধুরীরদের পূঁজি! যা বাংলাদেশের মানুষ এখন বুঝে গেছে। আমরা তার মিথ্যাকথা প্রত্যাহারের আহবান জানাই, এবং তাঁর এই বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে, মানহানির মামলা করতে বাধ্য হবো। নেতৃদ্বয় আরো বলেন, মূলত ৫ আগস্ট এর পর ইসলামপন্থীদের ঐক্য এবং এক বাক্সে ভোটের প্রক্রিয়াকে বিএনপি কোনভাবেই মেনে নিতে পারছে না। নির্বাচনে বিএনপির জন্য একমাত্র বাধা 'ইসলামী জোট'। এতে তাদের ভরাডুবি জেনে তারা ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল এবং জাতীয় ব্যক্তিদের নিয়ে মিথ্যাচার ও কুৎসা রটনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। বেঈমান তো তারা, যারা শহীদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, লুটপাট, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করতেছে।  

৮ মাস আগে

আপরাধ

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে সাড়ে তিন বছরের শিশু কন্যাকে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ধর্ষনের ঘটনায় পৌর বিএনপির সেক্রেটারির নেতৃত্বে সালিশ বৈঠকে ধর্ষক রুবেলকে একটি চড় দিয়ে ভিকটিমের বাবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনার শর্তে অভিযোগ থেকে মুক্তিদান এবং ভিকটিমের পরিবারকে থানায় দাযেরকৃত মামলাটি প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হযেছে। ঘটনাসূত্রে জানাগেছে, উপজেলা রামগতি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলাল তার প্রতিবেশী একই ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ রুবেলের সাড়ে তিন বছরের শিশু কন্যাকে বাদাম খাওযানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠে। ঘটনাটি ঘটে গত গত ১৭ মে। খবর পেয়ে শিশুর বাবা কক্সবাজার থেকে ছুটে এসে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের জন্য স্থানীয় পৌর শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ মাহফুজসহ কয়েকজনকে জানায়। তারা বিষয়টি নিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকলে শিশুটির পরিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভিকটিমের জবানবন্দি শুনে তার পরিবারকে থানায় মামলা দায়েরের জন্য বলেন। পরবর্তীতে তারা রামগতি থানা মামলা রজ্জু করেন। মামলার পরবর্তীতে রামগতির থানার ইনচার্জ লিটন দেওয়ান ভিকটিমের জবানবন্দি নেয় এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রমে সক্রিয়তা দেখালেও পরবর্তীতে থানা পুলিশ হঠাৎ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তবে ভিকটিমের পরিবার বিষয়টি স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান ঘটনার বিস্তারিত শুনে বিচারের আশ্বাস দেন। গত ৩১ মে পৌর বিএনপির সেক্রেটারি মুর্তজা আল আমিন-এর নেতৃত্বে আকস্মিক এক সালিশ বৈঠকে বসে। এতে ভিকটিমের পরিবারকে ডেকে আনা হয়। ওই সালিশি বৈঠকে মোঃ বেলালের বর্তমান ঘটনা ছাড়াও পূর্বের কৃতকর্মের বর্ণনা উঠে আসে। জানাযায়, ইতোপূর্বেও সে নিজের পুত্রবধূকে ধর্ষন ও ভাইয়ের বৌকে ধর্ষন চেষ্টা করেছিল। সালিশে উপস্থিত বিএনপি নেতা মোঃ মাহফুজ, মোঃ শাহজাহান, সুমন, রাকিব ও প্রিন্সসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে ভিকটিমের বাবার সামনে ধর্ষককে বিএনপি নেতা মুর্তজা আল আমিন ভর্ৎসনা করেন ও পিঠে ১টি থাপ্পর দেন। এ ঘটনার সালিশে শাস্তিস্বরূপ ১০টি বেত্রাঘাত ধার্য করা হয় এবং পরবর্তীতে ধর্ষকের স্বজনদের অনুরোধে বেত্রাঘাত না দিয়ে শুধু ক্ষমা চাওয়ার শর্তে সালিশ সমাপ্ত করা হয়। এ সময় বলা হয়, "শাস্তির কথা বলা আর শাস্তি দেওয়া একই কথা।" এ সময় তিনি ভিকটিমের পরিবারকে থানা থেকে মামলা তুলে নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। ভিকটিমের পরিবার পূর্ব থেকে এ সালিশ বৈঠক সম্পর্কে কিছুই জানতা বলে সালিশি বৈঠকে নিজেদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন এবং বৈঠক শেষে মামলা উঠিয়ে নেওয়ার নানাবিধ চাপে ভিকটিমের পরিবার ঘটনার পর থেকে বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে জানাযায়। তবে সালিশ বৈঠকের বিষযটি জানা নেই বলে রামগতি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি লিটন দেওয়ান জানান, আসামীকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

১ দিন আগে

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে ১১ বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। এর আগে সোমবার দুপুরে উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের চরসীতা গ্রামে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত ওই যুবকের নাম আনিছুর রহমান মামুন। স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায়, নির্যাতিত ওই শিশুটির মূল বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলায়। সম্প্রতি ঈদ উৎসব উদযাপনের উদ্দেশ্যে সে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রামগতি উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের চরসীতা গ্রামে তার নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত আনিছুর রহমান মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে। শিশুটির নানি হাজেরা বেগম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রামগতি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পরে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে বলে জানান রামগতি থানার ওসি লিটন দেওয়ান। 

২ দিন আগে

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে একটি এক নলা বন্দুক উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেলা গোয়েনআ সংস্থা (এনএসআইয়ের) দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়। সোমবার (১ জুন ২০২৬) দুপুরে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের মটবী গ্রামের চুনুকাজী বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে অভিযান পরিচালনা করে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা এনএসআইয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হলে পরিত্যক্ত ঘরের ভেতর থেকে একটি এক নলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়। পরে অস্ত্রটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, “জেলা এনএসআইয়ের দেওয়া গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত ঘর থেকে একটি এক নলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রটি থানায় জমা রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, অস্ত্রটি সেখানে কীভাবে এলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস ও মালিকানা সম্পর্কে জানতে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে

৩ দিন আগে

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাত আনুমানিক  ১০টার দিকে উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ভবানীগঞ্জ গ্রামের জানু মিয়ার বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তানিয়া (২০) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ২০ নং চররমনী মোহন ইউনিয়নের পূর্ব চররমনী গ্রামের কামাল হোসেনের মেয়ে। বিয়ের প্রায় ৮ মাসের মাথায় এ ঘটনা ঘটে। পরিারের অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের মধ্যে শাশুড়ি, নানী শাশুড়ি ও খালা শাশুড়ির নির্যাতনের শিকার ছিলেন তিনি। কোরবানির ঈদে ছাগল-খাসি না দেওয়াকে কেন্দ্র করে নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। ঈদের দিন গোশত রুটি খেতে দেয়নি বলেও অভিযোগ পরিবারের। পরে সহ্য করতে না পেরে গৃহবধু আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ করেন তারা। এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সদর মডেল থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

৫ দিন আগে

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক ব্যবসার দ্বন্দ্বের জেরে তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) এক ব্যক্তিকে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।  চারদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার (১৭ মে) বিকেল ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়। নিহত এনামুল হক শিশির ওরফে মাহি (৩৫) বুড়িচং পৌরসভার পূর্ণমতি গ্রামের কামরুল হক ফরহাদের সন্তান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ মে সকাল ৯টার দিকে বুড়িচং পৌরসভার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় মাহির শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় একই সম্প্রদায়ের জহিরুল ইসলাম আপন ওরফে জহির। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মাহিকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা জানান, মাহির শ্বাসনালিসহ শরীরের প্রায় ৪৪ শতাংশ পুড়ে যায়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার বিকেলে তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের দাবি, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এলাকার সরকারি জায়গায় কয়েকজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি ঘর নির্মাণ করে বসবাস করতেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। নিহত মাহিও এর আগে মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছেন। সম্প্রতি মাদকের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা কামরুল হক ফরহাদ বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলার পর পুলিশ এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে প্রধান অভিযুক্ত জহির এখনও পলাতক রয়েছে। বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ঘটনার পর নিহতের বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। এ পর্যন্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি জহিরকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।  

২ সপ্তাহ আগে

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অর্থ দেনা-পাওনাকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয়পক্ষের নারীসহ ১২ জন আহত হন।   এ ঘটনায় রোববার রাত ৮টায় প্রতিপক্ষ রাসেল বেপারী ও নেকমত আলী বেপারীসহ ১২ জনকে আসামি করে রায়পুর থানায় মামলা করেছেন আহত বিএনপির কর্মী সিদ্দিক আলী সরকার (৪৫)। এর আগে রোববার সকাল ৯টায় ও দুপুর ১২টা সময় দুই দফা উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের চরকাছিয়া গ্রামে সরকারগো বাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মামলার এজাহারে জানা যায়, রায়পুরের দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের চরকাছিয়া গ্রামে বিএনপি কর্মী সিদ্দিক আলী সরকার ও রাসেল বেপারীর মধ্যে টাকা লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে রোববার সকালে রাসেল বেপারি তার টাকা দেওয়ার জন্য সিদ্দিক আলীকে ফোন করে। এতে ফোন না ধরায় রাসেল বেপারি বিএনপি কর্মী সিদ্দিক আলী সরকারকে ফসলি ক্ষেতে গিয়ে মারধর করে চলে যান। পরে দুপুরে আবারও সিদ্দিক আলীর বাড়িতে গিয়ে তাকেসহ তার পরিবারের তিন নারীসহ ৬ জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে রাসেল বেপারিসহ তার অনুসারীরা।  এ সময় সিদ্দিক আলী সরকারের বসতঘর ভাঙচুর, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ ৫ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে রাসেল বেপারি গংরা। এ ঘটনায় আহত বিএনপি কর্মী সিদ্দিক আলী সরকার ও অভিযুক্ত রাসেল বেপারি একে অপরের বিরুদ্ধ পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেন। রায়পুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মান্নান বলেন, দক্ষিণ চরবংশী ইউপির চরকাছিয়া গ্রামে দুইপক্ষের মারামারি, ভাঙচুরের ঘটনার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও হাজিমারা ফাঁড়ি পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত সিদ্দিক আলী বেপারি বাদী হয়ে তার প্রতিপক্ষ রাসেল বেপারি ও নেকমত আলী বেপারিসহ ১১ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। তা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২ সপ্তাহ আগে

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্র ফোরামের নয়া কমিটি বগঠিত হয়েছে। আংশিক কমিটিকে আগামী (এক) বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। সংগঠনটি ঢাকায় অধ্যয়নরত লক্ষ্মীপুর জেলার শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এবং তাদের মধ্যকার পারস্পরিক  বন্ধন  সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে কাজ করে। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতির স্থান পেয়েছেন রাজধানীল ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষার্থী রিফাত রহমান এবং সাধারণ সম্পাদকের স্থান পেয়েছেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান।  নয়া এই কমিটির সভাপতি রিফাত রহমান বলেন, আমাকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।এ দায়িত্ব আমি একটি আমানত হিসেবে বিবেচনা করি। লক্ষ্মীপুর জেলার মেধাবী শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ করা, তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়া এবং সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বলেন, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, ছাত্র ফোরাম ঢাকায় অবস্থানরত লক্ষ্মীপুর জেলার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরিবার এবং প্রত্যেক সদস্যই আমাদের  চলার পথের অনুপ্রেরণা। সবাইকে সাথে নিয়ে আমরা একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর কমিটি গঠন করবো।  নবগঠিত কমিটির অন্যান্যদের মধ্যে ৪ জন সহ-সভাপতি, ৪ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক, একজন শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এবং ৪ জন সদস্য রয়েছেন। ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর জেলা ফোরামের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সুপারিশের ভিত্তিতে সম্মানিত উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্যদের অনুমোদনে এই কমিটি গঠিত হয়।

৮ মাস আগে

জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাকসু) নির্বাচনে নব নির্বাচিত জিএস  মাজহারুল ইসলাম ফাহিম লক্ষ্মীপুরের রামগতির সন্তান। সে শিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট থেকে জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) নির্বাচিত হয়েছেন। জুলাই আন্দোলনের তার ব্যাপক অবদান ছিল।  মাজহারুল রামগতি উপজেলার চর আলেকজান্ডার এলাকার বাসিন্দা এবং ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম মঞ্জুর বড় ছেলে। সে সময় মাজহারুলের অবস্থান শনাক্ত করতেই তার ছোট ভাই হাসনাতুল ইসলাম ফাইয়াজকে তুলে নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।   ১৭ বছর বয়সী কিশোর ফাইয়াজকে আটকের ৩ দিন পর ফাইয়াজকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। গায়ে বাংলাদেশের জার্সি পরিহিত কিশোরের হাতে লাগানো হাতকড়ায় মোটা রশি লাগিয়ে আদালতে নেওয়ার দৃশ্য পুরো দেশকে নাড়া দিয়েছে। তার এ ঘটনায় জাতিসংঘও বিবৃতি দিয়েছিল। সারাদেশে আলোচিত হয়ে ওঠে কিশোর ফাইয়াজ। তার বড় ভাই মাজহারুল এখন জাকসুর জিএস। মাজহারুলের বাবা আমিরুল ইসলাম জানান, মাজহারুল খুব ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী এবং ভদ্র স্বভাবের। ২০১৬ সালে সে নোয়াখালী জেলা স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি, ঢাকার সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করে। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হয়। পড়ালেখার পাশাপাশি সে অনেক ধরনের সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় মাজহারুলের অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তার সন্ধান জানতেই ২৪ জুলাই আমার ছোট ছেলেকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। তিন দিন পর তাকে ডিবি কার্যালয়ে পাঠানো হয়। মিথ্যা সাক্ষ্য না দেওয়ায় তাকে নির্মম নির্যাতন করা হয়। ১৭ বছর বয়সী ফাইয়াজকে হাতে দড়ি বেঁধে আদালতে তোলে পুলিশ। আদালত তার রিমান্ড মঞ্জুর করে। এতে দেশবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ফাইয়াজ কিশোর জুলাইযোদ্ধা হিসেবে সারাদেশে পরিচিতি পায়। তার ইস্যুতে জাতিসংঘও বিবৃতি দিয়েছে। গত ২১ আগস্ট একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে বড় ভাইকে শুভকামনা জানায় ফাইয়াজ। স্ট্যাটাসটিতে ফাইয়াজ লিখেছিল, জুলাই বিপ্লবে ভাইয়া জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। আমাকে টর্চার করে ভাইয়ার লোকেশন জানতে চেয়েছিল সেই মুহূর্তে। আমার থেকে লোকেশন নিতে না পেরে তারা ভাইয়ার মোবাইল নাম্বার ট্র্যাকিং করেছিল। কিন্তু ভাইয়াকে ধরতে পারেনি কৌশল অবলম্বনের কারণে। ফলাফল ঘোষণার পর জাকসুর নব নির্বাচিত জিএস মাজহারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যেদিন শিক্ষার্থীরা আমাদের স্বীকৃতি দেবে যে, আমরা আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পেরেছি। এই ক্যাম্পাসের হাজার হাজার শিক্ষার্থী যারা আমোদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, তাদের আমানতের ভার আমরা রক্ষা করতে পেরেছি, সেই দিন আমরা বলতে পারব আমরা বিজয় অর্জন করতে পেরেছি।’ প্রসঙ্গত, গত শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং কমিশনের সদস্য সচিব একেএম রশিদুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট থেকে তিনি জিএস নির্বাচিত হন। ২৫টি পদের মধ্যে ২১টিতেই জয় পেয়েছে এ জোট। জাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্যানেলের আব্দুর রশিদ জিতু। এজিএস (ছাত্র) পদে ফেরদৌস আল হাসান ও এজিএস (ছাত্রী) পদে আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা নির্বাচিত হয়েছেন। তারা দুজনই ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী।

৮ মাস আগে

কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষকদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ এবং অন্যায় আবদারের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে লক্ষ্মীপুরের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বিকালে সদর উপজেলা পরিষদের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে তারা। একইসাথে প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে তারা। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সদর উপজেলা আয়োজিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির জেলা সভাপতি আব্দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো, সদর উপজেলা সভাপতি গোলাম মাওলা, সাধারণ সম্পাদক ‎শফিকুল ইসলাম সবুজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক মজিবুর রহমান, শিক্ষক কামাল হোসেনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী।   এসময় বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে বৃত্তি পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। পুনরায় সরকারি প্রাথমিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষা চালু করায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সরকারের যুগান্তকারী এ সিদ্ধান্তে আনন্দিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। কিন্তু বৃত্তি পরীক্ষার ঘোষণার পর থেকে,কিন্ডারগার্টেন'র শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবি তুলছেন। অনেকে বিভিন্ন উদ্বত্তপূর্ন আচরণ করছেন। তাদের দাবি ও আচরণের নিন্দা জানাই।  আরও বলেন, বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে যদি তাদের খুব ইচ্ছে হয়। তাহলে নিজেরা বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করুক। অথবা আমাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করে দেক।  সেটি করবে না, কারন তাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে।  কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আমাদের ভাই-বন্ধু। আপনাদের থেকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য শুনবো, এটি আমরা আশা করিনা। আপনারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য। আপনাদের বলছি, সাবধান হয়ে যান। মব সৃষ্টি করবেন না। না হয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে আপনাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবো।  মানববন্ধন পরবর্তী সহকারী শিক্ষকদের বেতনের গ্রেড পরিবর্তনসহ বিভিন্ন দাবিতে সদর উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে শিক্ষকরা।   

৯ মাস আগে

আলোর প্রভাত আনবোই বলে, টুটেছে মোদের নিদ, চোখের তারায় দীপ্ত স্বপন, আগামীর উম্মীদ" — এই প্রত্যয়ে উজ্জীবিত হয়ে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সাড়ে তিন শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত লক্ষ্মীপুর শহর ছাত্রশিবির। শনিবার সকালে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াত ইসলামীর আমির এইচ ইউ এম রুহুল আমীন ভূঁইয়া। ইসলামী ছাত্রশিবিরের শহর সভাপতি ফরিদ উদ্দিন সভাপতিত্বে। প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও সাহিত্য সম্পাদক হাফেজ আবু মূছা। শহর শিবিরের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল হামদুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্যাহ, লক্ষ্মীপুর মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর খন্দকার ইউসুফ হোসেন, ছাত্রশিবিরের সাবেক নোয়াখালী শহর সভাপতি সাইফুল্লাহ সাইফ, ছাত্রশিবিরের সাবেক লক্ষ্মীপুর শহর সভাপতি হারুনুর রশিদ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেৃতৃবৃন্দ। এসময় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে বক্তারা তাদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও জনকল্যাণে নিজেদেরকে নিবেদিত করতে হবে। আগামী জীবনের প্রস্তুতির জন্য তাদের উদ্ধদ্ধ করেন। অনুষ্ঠান শেষে সকল কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়।

১০ মাস আগে

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার ২৮৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৫০০ শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বশিকপুর ইউনিয়নের ৫০০ জন শিক্ষার্থীর হাতে এসব সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন সহায়তা তহবিল (এডিপি) ও ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা খাতের অর্থায়নে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জামশেদ আলম রানা। বশিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাহফুজুর রহমান-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষা সামগ্রী বিতরণকালে ৫০০ শিক্ষার্থীকে ১টি করে স্কুল ব্যাগ, ৮টি খাতা, ১২টি কলম ও ১টি জ্যামিতি বক্স প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি ইউএনও জামশেদ আলম রানা বলেন, সুশিক্ষিত জাতিই পারে দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে। এই ধরনের উদ্যোগ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়ক হবে। অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।

১০ মাস আগে

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০২৫ সালের দাখিল পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের সকল শিক্ষার্থীদের এ প্লাস সহ শতভাগ উত্তীর্ণ হয়েছে লক্ষীপুর আইডিয়াল আলিম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফলাফল ঘোষণার পর মাদরাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বয়েছে আনন্দের জোয়ার। শুকরিয়া জানিয়ে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও পোষ্ট করছেন অনেকেই। আনন্দ কমতি নাই অভিভাবকদেরও। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জেলার প্রাইভেট শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ খ্যাত লক্ষ্মীপুর আইডিয়াল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এ প্লাস সহ প্রতিবছর উত্তীর্র্ণ হয়ে আসছে। এবারও বিজ্ঞাপন বিভাগে শতভাগ পাশ সহ ৩৩ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫ জন A+ ১৭ জন A গ্রেড ও একজন B গ্রেড অর্জন করে। ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাওলানা জসিম উদ্দিন ও কো-অর্ডিনেটর মাওলানা আব্দুল জলিল মিজান। শিক্ষকদের প্রচেষ্টায় লেখাপড়ার গুনগত মান উন্নয়ন ধরে রাখায় এমন সফলতা বলে মনে করছেন সচেতন মহল।প্রতিষ্ঠানের চেয়ারমান বলেন, পাঠদানের ক্ষেত্রে মাদরাসা বোর্ডের কারিকুলামের পাশাপাশি আমদের নিজস্ব কিছু কারিকুলাম রয়েছে। যা আমাদের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিলিয়ে দিচ্ছেন। এছাড়া শিক্ষকদের প্রাণপণ চেষ্টায় আজকের এই ফলাফল অর্জন। আমাদের অর্জন শুরু থেকেই ভালো আগামীতেও আরো ভালো করবে এমনটাই প্রত্যাশা করি।

১০ মাস আগে

ধর্ম

আগামীকাল শুক্রবার ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা। কোরবানির এই উৎসবকে সামনে রেখে শেষ মুহুর্তে লক্ষ্মীপুরের কামার পাড়া গুলোতে এখন কারিগরদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। দিনরাত কয়লার ধোঁয়া, গনগনে লাল লোহা আর হাতুড়ি পেটানোর ‘টুং টাং’ শব্দে মুখরিত। নাওয়া-খাওয়া ভুলে লোহার টুংটাং শব্দে দম ফেলার ফুরসত নেই কারিগরদের। জেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও কামারপট্টি ঘুরে দেখা গেছে উৎসবের এমন আগাম আমেজ। পশু জবাই ও মাংস কাটার প্রধান হাতিয়ার দা, বঁটি, ছুরি ও চাপাতি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। বাজারে যান্ত্রিক সরঞ্জামের বিকল্প এলেও পশুর চামড়া ছাড়ানো এবং মাংস ও হাড় কাটার কাজে কামারদের হাতে তৈরি লোহার সরঞ্জামের কোনো বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি। তাই ক্রেতারা পছন্দসই ও টেকসই দা-ছুরি বানিয়ে নিতে ভিড় করছেন কামার দোকানগুলোতে। লোহার মান ও ওজনের ওপর ভিত্তি করে ছোট ছুরি তৈরিতে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, বঁটি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, চাপাতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা ও পশু জবাইয়ের জন্য বড় ছুরি তৈরির ক্ষেত্রে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি নেওয়া হচ্ছে।

১ সপ্তাহ আগে

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে লক্ষ্মীপুরের ১১টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। বুধবার সকাল ৭ টায় রামগঞ্জ উপজেলার পার্ক এভিনিউ জাহাঙ্গীর টাওয়ারে খানকায়ে মাদানিয়া কাসেমিয়া ঈদগাহ ময়দানসহ বিভিন্ন স্থানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, হোটাটিয়া, শরশোই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপা এবং সদর উপজেলার বশিকপুরসহ ১১টি গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মুসল্লি পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। রামগঞ্জ উপজেলার খানকায়ে মাদানিয়া কাসেমিয়া ঈদগাহে ঈদের জামায়াতে ইমামতি করেন রামগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসার প্রধান মোহাদ্দেস মাওলানা মো. রুহুল আমিন। এ ছাড়া এসব গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মুসল্লি পৃথক পৃথকভাবে স্ব স্ব ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন। পরে এসব মুসল্লিরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ে তাদের পশু কোরবানি করেন।এছাড়া ঈদকে কেন্দ্র করে ঈদগাহ এলাকায় বসেছে মেলা। শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে মেলায় কেনাকাটা করতে দেখা যায়। মাওলানা ইসহাক (রা.) অনুসারী হিসেবে এসব এলাকার মানুষ পবিত্র ভূমি মক্কা ও মদিনার সাথে সঙ্গতি রেখে ঈদসহ সব ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছে। এসব গ্রামের মুসল্লিরা গত ৪৯ বছর যাবত সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছেন।

১ সপ্তাহ আগে

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলাধীন বাংগাখাঁ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আমানুল্ল্যাপুর গ্রামের অসহায় বিধবা ঝর্ণা রানীর ঘর নির্মাণের দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম। রবিবার সকালে আমানুল্লাহ পুর গ্রামে হিন্দু ঝর্ণা রানীর বাড়ীতে গিয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি। এর আগে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ড. রেজাউল। তিনি বলেন, “মানবতা ও সেবা ইসলামের মূল শিক্ষা। অসহায় যে-ই হোক, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সেখানে তিনি জানতে পারেন বিধবা হিন্দু নারী ঝর্ণা রাণী ও তার সন্তানরা দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ মানবেতর জীবনযাপন করে আসছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে ঘর নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। স্থানীয়রা মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদাহরণ, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন, চন্দ্রগঞ্জ থানার আমির মাও. নুর মোহাম্মদ রাসেল, বাংগাখাঁ ইউনিয়ন সেক্রেটারি জনাব জহিরুল ইসলাম আনসারী,ওয়ার্ড সভাপতি মাস্টার হাফিজ উল্লা, জনাব শ্যামল ডাক্তার, সুমন মজুমদার, জীবন চন্দ্র শীল,কার্তিক চন্দ্র শীল,শ্যামল মজুমদার, দিলীপ দাস সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

১০ মাস আগে

আইন আদালত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২টি মোটরসাইকেল এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩৬ হাজার ৩০০ টাকাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) রায়পুর থানার আওতাধীন ৪ নম্বর সোনাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝিগো বাড়ি এলাকার একটি পাকা সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন রায়পুর থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. জসিম উদ্দিন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন এসআই মহিউদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা। পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় দুইটি মোটরসাইকেলে থাকা কয়েকজন ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে চলাফেরা করতে দেখে থামানোর চেষ্টা করা হয়। এসময় একজন ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে গেলেও বাকি ৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে আটককৃতদের কাছ থেকে ৫৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২টি মোটরসাইকেল এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩৬ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে রায়পুর থানা পুলিশ। পুলিশ আরও জানায়, মাদক নির্মূলে রায়পুর থানা পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

১ সপ্তাহ আগে

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে অবৈধভাবে কৃষি জমির উর্বর মাটি কাটার অপরাধে জসিম উদ্দিন ও মোক্তার হোসেন নামে দুই ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে। এরমধ্যে জসিমকে ১ লাখ টাকা ও মোক্তারকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত বুধবার (২০ মে) রাত ৯টার দিকে রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বিকেলে উপজেলার চরবাদাম ও চরআলগীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন তিনি। দণ্ডপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা। উপজেলা প্রশাসন জানায়, দণ্ডপ্রাপ্তরা চরবাদাম ও চরআলগী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষি জমির উর্বর মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে আসছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জসিম ও মোক্তারকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে তাদের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, দণ্ডিতদের কাছ থেকে জরিমানার টাকা আদায় করা হয়েছে। কৃষি জমির উর্বর মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১ সপ্তাহ আগে

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলাধীন নয়টি ইউনিয়নের নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানাকে উপজেলা গঠনের প্রস্তবনাকল্পে স্থানীয়দের মতামত গ্রহণে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই ) দুপুর সদরের বটতলী বাজার উপজেলা মডেল মসজিদ হলরুমে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রাথমিকভাবে উপজেলা প্রশাসনিক কার্যালয় হিসেবে বটতলিকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার আকতার হোসেন, স্থানী সরকার উপ-পরিচালক মোঃ জসীম উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা, সদর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মোন্নাফ, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা অভি দাস সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। গণশুনানীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও এলাকাবাসী অংশ নেয়। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ জেলা প্রশাসকের নিকট ভৌগোলিক বিস্তৃতি, জনসংখ্যার ঘনত্ব, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মধ্যবর্তী স্থানে একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলা পরিষদ নির্মানের প্রস্তাবনা উপজেলার অধীনে রয়েছে চন্দ্রগঞ্জ, হাজীরপাড়া, উত্তরজয়পুর, বশিকপুর, দত্তপাড়া, মান্দারী, দিঘলী, চরশাহী ও কুশাখালী ইউনিয়ন। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গে মতামত সরকারকে জানানো হবে বলে ব্যক্ত করে গণশুনানীর প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলা ঘোষণা হবে। এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়রা।

১০ মাস আগে

লক্ষ্মীপুরে জামায়াত নেতা কাউছার আহম্মদ মিলন হত্যার মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নাম্বার আসামি মো. জহিরকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার ১০ জুলাই সকালে র‍্যাব-১১ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ৯ জুলাই বুধবার দুপুরে তাকে ঢাকার লালবাগ থানার বিজিবি মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত জহির লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রাজিবপুর এলাকার মনসুর আহমেদের ছেলে ও বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে নিহত কাউছারদের বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গত ৫ জুন দুপুরে রাজিবপুর এলাকায় বাদীর বাড়ির সামনে অভিযুক্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কাউসারের ভাই আফতাব হোসেন আরজুর ওপর হামলা করে। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করা হয়। ঘটনাটি দেখে কাউছার তার ভাইকে বাঁচাতে যায়। তখন তার মাথার পেছনে লোহার রড দিয়ে কয়েকটি আঘাত করা হয়। এরপর মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে এলোপাতাড়ি পেটানো হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালের সামনে তাদের হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এতে ভয়ে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে আসে। পরে সন্ধ্যায় কাউছারের অবস্থার অবনতি হলে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ৮ জুন নিহতের স্ত্রী শিল্পী আক্তার বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। র‍্যাব-১১ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু বলেন, জহির মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১০ জুন কাউছার হত্যা মামলায় ৮ নাম্বার এজাহারভুক্ত আসামি বাবুলকে (৫০) গ্রেফতার করে পুলিশ। নিহত কাউসার বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের ওলামা বিভাগের সভাপতি ছিলেন।

১০ মাস আগে

স্টাফ রিপোর্টার লক্ষ্মীপুরে ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা মামলা ও ফাঁসির রায় প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার (৩০ জুন) সকালে সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের মোল্লার হাট বাজারে ঘন্টাব্যাপি এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান লিটন, দত্তপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম চৌধুরী, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা সোলাইমান ও চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. মুশফিকুর রহমান মিন্টু। এসময় বক্তারা বলেন, মাদক ব্যবসা ও অভ্যন্তরীন কোন্দলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান জসিমকে গুলি করে হত্যা করে দূর্বত্তরা। এরপর প্রকৃত আসামীদের বাদ দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে এলাকার নিরপরাধী লোকজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মিথ্যা মামলায় ২০২৩ সালের ২৯ মে ৮জন আসামীকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়। এসময় দন্ডপ্রাপ্তদের নির্দোষ দাবি করে ফাঁসির রায় প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবি জানান বক্তারা। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ৫০ বছর বয়সী আলী হোসেন বাচ্চু, ৭৭ বছর বয়সী মোস্তফা, ৬৪ বছর বয়সী খোকন, ৭২ বছর বয়সী আবুল হোসেন, ৬৭ বছর বয়সী মোবারক উল্যা, ২৫ বছর বয়সী কবির হোসেন রিপন, ৬৭ বছর বয়সী জাফর আহম্মদ ও ৫০ বছর বয়সী হিজবুর রহমান স্বপন। প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা ও চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান জসিমকে গুলি করে হত্যা করে দূর্বত্তরা। এ ঘটনায় পরদিন জসিমের বাবা মফিজ বাদী হয়ে সদর থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

১১ মাস আগে

ক্যাম্পাস

লক্ষ্মীপুরের নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কফিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ গভর্নিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও গোপন নির্বাচন আয়োজনের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়েছে। ‎মামলার বাদী কলেজটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুর রহমান। তিনি বর্তমান গভর্নিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন গভর্নিং বডির নির্বাচনেও তিনি শিক্ষক প্রতিনিধি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন। ‎আদালতে দাখিল করা মামলায় বলা হয়, কোনো প্রকার নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা ছাড়াই গত ১ এপ্রিল শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে বলে কাগজপত্র তৈরি করা হয়। পরে ১২ এপ্রিল ওই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদনের জন্য একটি পত্র পাঠানো হয়। সেখানে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে কয়েকজনের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ‎তবে পরবর্তীতে আবার ১১ মে “শিক্ষক প্রতিনিধি ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক পদে নির্বাচনী তফসিল-২০২৬” প্রকাশ করা হয়। ওই তফসিলে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের তারিখ আগামী ২০ মে নির্ধারণ করা হয়। বাদীপক্ষের দাবি, একই পদের নির্বাচন একদিকে সম্পন্ন দেখানো এবং অন্যদিকে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করায় পুরো প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। ‎মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, বৈধ প্রার্থী তালিকায় এমন একজন শিক্ষককে রাখা হয়েছে, যার চাকরির মেয়াদ শেষ হতে আর অল্প সময় বাকি রয়েছে। অথচ গভর্নিং বডির মেয়াদ দুই বছর হওয়ায় তিনি পূর্ণ মেয়াদ দায়িত্ব পালনের যোগ্য নন বলে দাবি করেন বাদী। ‎বাদীপক্ষ আদালতের কাছে ১২ এপ্রিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো পত্র এবং ১১ মে প্রকাশিত নির্বাচনী তফসিলকে “ভুয়া, বেআইনি ও অকার্যকর” ঘোষণা করার আবেদন জানিয়েছেন। ‎এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ মে ২০২৬ তারিখের এক চিঠিতে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মো. ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী এবং বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে মোহাম্মদ মনির হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ‎ ‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে মামলার বিবাদী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রিয়ব্রত চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করতে তার মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে,  তিনি কল রিসিভ করেননি।

২ সপ্তাহ আগে

লক্ষ্মীপুরে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে সম্ভাবনার দ্বার নবীনবরণ অনুষ্ঠান। শনিবার সকালে শহরের একটি রেষ্টুরেন্টের সভাকক্ষে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে লক্ষ্মীপুর স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রেসিডেন্সিয়াল কলেজ। এসময় আগত নবীন শিক্ষার্থীদের প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রেরণাদয়ক ভিডিও প্রদর্শনী ও ক্যারিয়ার গাইডলাই দেয়া হয়। এছাড়া আমার স্বপ্ন আমার কথা শিরোনামে নবীন শিক্ষার্থীদের আগামীর স্বপ্ন কি তা লিখে নির্ধারণ করে তারা। এর আগে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেয়া হয় নবীন শিক্ষার্থীদের। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ। অনুষ্ঠানের সম্ভাবনার দ্বার বিষয় ভিত্তিক সহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন এসপিআই গ্রুপের চেয়ারম্যাান আব্দুল কাদের পরিচালক মাজহারুল ইসলাম সহ কলেজ শিক্ষকরা। মেধাবী খোঁজার পরিবর্তে কর্তব্যপরায়ণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মেধাবী উদ্ভাবন করারই প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য বলে জানান কর্তৃপক্ষ।  

৮ মাস আগে

অর্থনীতি

লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের জন্য প্রায় ১০২ কোটি ৮০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌর প্রশাসক জসিম উদ্দিন এ বাজেট ঘোষণা করেন। লক্ষ্মীপুর পৌরসভা কার্যালয়ের হল রুমে এ আয়োজন করা হয়। প্রশাসক জসিম উদ্দিন জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে পৌরসভার আয় ধরা হয়েছে ১০২ কোটি ৭৯ লাখ ৮৬ হাজার ৩৯১ টাকা। আয় অনুযায়ী একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে। এটি আয়-ব্যয় অনুযায়ী ভারসাম্য বাজেট বলে জানিয়েছেন প্রশাসক। এর মধ্যে রাজস্ব আয় (উপাংশ-১) ৪১ কোটি ৮১ লাখ টাকা, রাজস্ব আয় পানি (উপাংশ ২) ১৩ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, উন্নয়ন হিসাব (এডিপি) ২ কোটি টাকা, মুলধন হিসাব ২০ লাখ টাকা, আইইউজিআইপি প্রকল্প ১ কোটি টাকা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প ১ কোটি টাকা, কোভিড ১৯ প্রকল্প ১০ কোটি, আরইউটিডিপি প্রকল্প ২৫ কোটি টাকা। এতে মোট আয় ৯৪ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রারম্ভিক স্থিতি ৮ কোটি ৫৬ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯১ টাকা ধরা হয়েছে।

১০ মাস আগে

খেলা

‎লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পৌর যুব বিভাগের উদ্যোগে সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় রামগঞ্জ সরকারি কলেজ সংলগ্ন পুকুরে এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। রামগঞ্জ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড থেকে প্রায় অর্ধশত প্রতিযোগী এতে অংশ নেন। প্রতিযোগিতা শেষে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের হাতে নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া বাকি অংশগ্রহণকারীদের সান্ত্বনা পুরস্কার দেওয়া হয়। ‎ ‎পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নাজমুল হাসান পাটোয়ারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন রামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাসান বান্না। সভাপতিত্ব করেন পৌর যুব বিভাগের সভাপতি আদনান জহির। ‎ ‎এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর যুব বিভাগের সেক্রেটারি এনামুল হাসান রুবেল, যুবনেতা মাহবুব রাজা, রায়হান পাটোয়ারী, ডা. রায়হানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।  

৮ মাস আগে

জীবনযাপন

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে মানবিক ও আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে কারাগার প্রাঙ্গণে বন্দিদের অংশগ্রহণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ উপলক্ষে বন্দিদের জন্য উন্নতমানের খাবারের বিশেষ আয়োজন করা হয়। সকালে পরিবেশন করা হয় পায়েস ও মুড়ি। দুপুরে ছিল পোলাও, গরু ও খাসির মাংস, মুরগির রোস্ট, সালাদ, পান-সুপারি, মিষ্টি ও কোমল পানীয়। এছাড়া বিকেলে রুই মাছ, আলুর দম ও সাদা ভাত পরিবেশন করা হয়। কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের মাঝে সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে বিশেষ মানবিক উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ছিল আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাতের ব্যবস্থা, বাড়ির তৈরি খাবার গ্রহণের অনুমতি এবং একদিনের জন্য আত্মীয়দের সঙ্গে পাঁচ মিনিট করে মোবাইলে কথা বলার বিশেষ সুবিধা। এছাড়া বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসা দর্শনার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। তাদের জন্য সুপেয় পানি, মিষ্টি এবং শিশুদের জন্য চকলেটেরও ব্যবস্থা করা হয়। লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার রীতেশ চাকমা বলেন, “কারাগারে থাকা বন্দিদেরও যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে না হয়, সে লক্ষ্যেই মানবিক পরিবেশে বিভিন্ন আয়োজন করা হয়েছে। বন্দিদের মানসিক প্রশান্তি ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দিতে বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

৬ দিন আগে

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে "এ স্লাইস অব স্মাইল" (A Slice of Smile) প্রকল্পের আওতায় বিশেষ কোরবানি ও মাংস বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে মানবিক সংস্থা HEARTS (Humanitarian Efforts for Aid Relief and Trusting Society)। এই উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার প্রায় একশত অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস পৌঁছে দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে লক্ষ্মীপুরের কোরবানি ও মাংস প্রস্তুতের কাজ পরিচালনা করে কর্তব্যরত বক্তিবর্গ। কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন HEARTS-এর চেয়ারম্যান এডভোকেট নিজামুদ্দিন মাহমুদ ও জেনারেল সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব হোসেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সেখানে উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রমটি তদারকি ও মাংস বিতরণে অংশ নেন। সংস্থার চেয়ারম্যান এডভোকেট নিজামুদ্দিন মাহমুদ তার বক্তব্যে বলেন, "সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।" জেনারেল সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব হোসেন এই মানবিক কার্যক্রমে সহায়তাকারী SaFA ফাউন্ডেশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও লক্ষ্মীপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সংস্থার অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ HEARTS-এর এই মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং সমাজের বিত্তবানদের এভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

৬ দিন আগে

  লক্ষ্মীপুরে ক্যান্সার আক্রান্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্য মানিক দাসের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন জামায়াত ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর সেক্রেটারী ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।‎ গত বৃহস্পতিবার (২৮শে) আগস্ট বিকেলে পৌর শহরের ৯নং ওয়ার্ড জোড়দিঘীর পাড় সংলগ্ন সরকার বাড়ীতে অসুস্থ্য মানিক চন্দ্র দাসকে দেখতে গিয়ে এই দায়িত্ব নেন তিনি। ড. রেজাউল করিম বলেন,“মানবতা ও সেবাই ইসলামের মূল শিক্ষা। অসহায় যে-ই হোক, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি এখানে এসে জানতে পেরেছি সে ক্যান্সার আক্রান্ত। এখানে বসে ঢাকাতে তার চিকিৎসার ব্যাপারে ফোন দিয়েছি ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করেছি। মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে তার চিকিৎসার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। আমরা তার পাশে আছি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তার ও পরিবারের পাশে আছে এবং থাকবে। ‎স্থানীয় জনগণ তার এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি একটি ব্যতিক্রর্মী উদাহরণ, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ‎ড. রেজাউল করিম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি এবং লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ পৌর ৯নং ওয়ার্ডের সরকার বাড়ীর বাসিন্দা মানিক চন্দ্র দাস। তিনি তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। পরিবারের পক্ষে তার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার সার্মথ্য নেই। বিষয়টি ড. রেজাউল করিমের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তার চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন শহর জামায়াতের আমীর এডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান, নায়েবে আমীর মাওলানা জহিরুল ইসলাম, শ্রী শ্রী মহাদেব মন্দিরের সহ সভাপতি, খোকন চন্দ্র মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক,দীপক দাস প্রমুখ। ‎পরে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। তাদের বিভিন্ন সমস্যা শুনেন ও সমাধানের বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন।  

৯ মাস আগে

লক্ষ্মীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার, পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের মিয়া বাড়ীর বজলুর রহমান মিয়ার বড় সন্তান, রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির তোফায়েল আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন) তিনি  শনিবার (৯ আগস্ট) ইন্তেকাল করেন। মরহুমের জানাজা আজ বাদ আছর লক্ষ্মীপুর আলিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। হুমায়ুন কবির তোফায়েল মুক্তিযুদ্ধের সময় সাহসিকতার সাথে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী, আত্মীয়-স্বজন, সহযোদ্ধা ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের মতে, তিনি একজন সৎ, ন্যায়পরায়ণ ও সহৃদয় মানুষ ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি মানুষের সেবায় সবসময় আন্তরিক ছিলেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন। পরিবার ও সহযোদ্ধারা মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করেছেন। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মর্যাদা দান করুন,এই প্রার্থনাই সবার।

৯ মাস আগে

লক্ষ্মীপুরে নারীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে জেলার বিধবা অসহায় ও দুস্থ ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন দিয়েছে মানবসেবামূলক প্রতিষ্ঠান হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ। শুক্রবার জুমার নামাজের পর শহরে কেন্দ্রীয় চকবাজার জামে মসজিদে এসব সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। নারীদের পক্ষে স্বজনদের হাতে মেশিন তুলে দেন সংগঠনটির উপদেষ্টা মাওলানা মুস্তাকুন্নবী ও মহাপরিচালক মোহাম্মদ রাজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাওলানা হারুন আল মাদানী, লক্ষ্মীপুর বনিক সমিতির সভাপতি আব্দুল আজিজ, সংগঠনটির সহ-সভাপতি আবু ইউসূফ ফরহাদ, পরিচালক তানবিরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা মাহমুদ ও প্রচার সম্পাদক বাইজিদ হাসান।  এছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা, চিকিৎসা সেবা, শিক্ষামূলক উদ্যোগ এবং স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প সহ নানাবিধ সহযোগিতা প্রদান করে তারা। দেশীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি সংস্থাটি আন্তর্জাতিক পরিসরেও সুনাম কুড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে নিজস্ব ফিলিস্তিনি টিমের মাধ্যমে অসহায় মানুষের জন্য খাদ্য, পানি, চিকিৎসা ও জরুরি ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে। এই সেলাই মেশিন বিতরণ কর্মসূচি স্থানীয় নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের প্রতিটি প্রান্তে মানবতার সেবা পৌঁছে দেওয়ার এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

৯ মাস আগে

অবশেষে ভাড়া ভবন ছেড়ে নিজস্ব ভবনে ফিরছে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা কার্যালয়। প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কক্ষ তৈরির পাশাপাশি কার্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কার চলছে পুরোদমে। আধুনিক পৌর বিপনী বিতাণের ৪র্থ তলায় চলছে এই কার্যক্রম। খুব অল্প সময়ের মধ্যে পৌরসভা কার্যালয় স্থানান্তর হয়ে আসবে এবং এখান থেকেই সেবাগ্রহিতাদের সেবা দিতে পারবে বলে নিশ্চিত করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। নিজ ভবনে পৌর কার্যক্রম চালু হলে পৌরবাসীর ভোগান্তি কিছুটা লাগব হবে। তবে ভবনের সামনে যথেষ্ট পাকিং না থাকায় সৃষ্টি হবে শহরে যানজট। ভবনের নিচে পার্কিং ব্যবস্থা থাকলে সেটি ইজারা দেয়া হয়েছে। সবদিক বিবেচনায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে পৌর প্রশাসন। এমনটাই মনে করছে সচেতন মহল। এর আগেও একই স্থানে ছিল পৌরভবন। প্রয়াত সাবেক মেয়র আবু তাহের বহুতল ভবন নির্মাণের পর কার্যালয় স্থানান্তর করা হয় সামনের ভবন পৌর মার্কেটে। সেখানে বেশ সময় কার্যালয়ের কার্যক্রম থাকলেও সাবেক মেয়র মোজাম্মেলন হায়দর মাসুম ভূঁইয়া নির্বাচিত হওয়ার পর পৌর কার্যালয় আবারো স্থানান্তর করা হয়। নিয়ে যায় হয় উত্তর স্টেশন নিজ আত্মীয় (মাসুম ভূঁইয়ার মামা) সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মরহুম ফজলুর রহমানের ইউনিক ভবনে। পৌরসভার নিজস্ব সম্পত্তি থাকলেও স্থায়ী কোন পৌর কার্যালয় ভবন নাই। সংস্কার আর একাধিক স্থানান্তরেই কোটি টাকা নাই হয়ে যায়। তাছাড়া সেবাগ্রহিতাদের হয়রানী ছিল অভাবনীয়। তবে এবার স্থায়ীভাবে নিজস্ব ভবনে কার্যালয় আসার ফলে কমে যাবে বাড়তি ভাড়া সহ আনুষাঙ্গিক বিভিন্ন খাতের পৌর খরচ। ভারী হবে পৌরসভার আয়ের খাত। বর্তমান প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে পৌরবাসী। পৌর ভবনের চার তলায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের পুরো একটি তলায় সকল কার্যক্রম একসাথে করা সম্ভব। বিভিন্ন দাপ্তরিক শাখা অনুযায়ী প্রতিটি দপ্তরের জন্য তৈরি করা হচ্ছে আলাদা কক্ষ। মেয়র, সচিব, প্রকৌশলী শাখা, স্বাস্থ্য, লাইসেন্স, কাউন্সিলরদের কক্ষ সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের আলাদা করে তৈরি করা হচ্ছে নির্দিষ্ট কক্ষ। ফলে একজন সেবাগ্রহিতা এক ছাদের নিচে পাবে সকল সেবা। এটি দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল পৌরবাসীর। পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ ফারাভী বলেন, বিগত সময় যারা পৌর দায়িত্বে ছিলেন, তারা পৌরবাসীর প্রতি অন্যায় করছে জুলুম করেছে। নিজস্ব জায়গা ভবন থাকা স্বত্বেও ভাড়া ভবনে পৌরসভার কার্যক্রম পরিচালনা করে গেছে। ফলে পৌরবাসী টেক্সের টাকা খরচ হতো অপ্রয়োজনীয়তা হিসেবে। বর্তমান পৌর প্রশাসকের আন্তরিকতায় আমাদের প্রচেষ্টায় নিজস্ব ভবনে কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৌর বিপণী বিতাণ ভবনের ৪র্থ তলায় সংস্কারের কাজ চলছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সেখানে স্থান্তান্তর করা হবে এবং স্থায়ীভাবে একই ছাদের নিচে পৌরবাসী সকল সেবা পাবে। হয়রানী মুক্ত হওয়ার পাশাপাশি অযাচিত খরচ কমিয়ে সঠিক স্থানে ব্যবহার হবে পৌরবাসীর টেক্সের টাকা। ১৯৭৬ সালে পৌরসভা গঠিত হওয়ার পর ১৯৮৪ সালে শহরে উন্নীত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে ক” শ্রেণীভূক্ত হয়। পৌরসভার বর্তমান আয়তন ২৭.০০বর্গ কিলোমিটার। স্থায়ী-অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ২০০জন। দীর্ঘ সময় পৌর সেবাগ্রহিতাদের সেবা দিতে নিজস্ব ভবন না থাকায় সমালোচিত হয়ে আসছে পৌরসভাটি। দায়িত্বভার গ্রহন করে নিজ আখের গোছানো নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন জনপ্রতিনিধিরা। এমনটাই মন্তব্য করেন পৌরবাসী।

১১ মাস আগে

আন্তর্জাতিক

হস্পতিবার (২৬ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘এই উদ্যোগটা পুরোপুরি চীনের, এবং তা রাজনৈতিক নয়, বরং অফিসিয়াল পর্যায়ে হয়েছে। মূল আলোচনাগুলো ছিল যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বাণিজ্য বৃদ্ধির বাস্তবমুখী বিষয় নিয়ে। কোনো জোট গঠনের আলোচনাই সেখানে হয়নি।’

১১ মাস আগে

সংস্কৃতি ও সাহিত্য

‎লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মাসিক “রামগঞ্জ সংবাদ” পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় উপজেলার একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এ মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়।  ‎ ‎রামগঞ্জ সংবাদের সম্পাদক রফিক উল্লাহর সভাপতিতে সহ সম্পাদক মাহফুজ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— ‎রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নাজমুল হাসান পাটোয়ারী, প্রকাশক মাহবুবুর রহমান, রামগঞ্জ পৌর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন পলাশ, রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের, সাবেক সভাপতি মাহমুদ ফারুক, পৌর জামায়াতের আমির এডভোকেট হাসান বান্না,উপজেলা যুবদলের সম্পাদক আব্দুস সাত্তার মজুমদার, পত্রিকার উপদেষ্টা মিজানুর রহমান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, রামগঞ্জ সংবাদের পৃষ্ঠপোষক আব্দুল বাতেন, ইসলামী আন্দোলনের পৌর সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী সম্পাদক মমতার আরেক, বার্তা সম্পাদক সাজ্জাদুল ইসলাম, রূপ রিডার সাজ্জাদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তুহিনসহ প্রেসক্লাবের সদস্য ও বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ‎ ‎ সম্পাদক রফিক উল্যা বলেন, “রামগঞ্জ সংবাদ হবে রামগঞ্জবাসীর কণ্ঠস্বর। স্থানীয় সমস্যা, উন্নয়ন ও তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা এখানে স্থান পাবে।” ‎ ‎প্রকাশক মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমরা নিরপেক্ষভাবে সংবাদ পরিবেশন করতে চাই। কোনো দলের মুখপত্র নয়, বরং জনগণের আস্থা অর্জন করাই আমাদের লক্ষ্য।” ‎ ‎এ সময় অতিথিরা বলেন, রামগঞ্জ সংবাদ স্থানীয় সমাজে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। প্রেসক্লাব সভাপতি আবু তাহের আশা প্রকাশ করেন, এই পত্রিকা নতুন প্রজন্মকে সাংবাদিকতায় অনুপ্রাণিত করবে। সাবেক সভাপতি মাহমুদ ফারুক বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে রামগঞ্জ সংবাদ দলমতের ঊর্ধে উঠে  রামগঞ্জের জনমানুষের কন্ঠস্বর হয়ে উঠবে এমন  প্রত্যাশা করছি। ‎ ‎অনুষ্ঠানে বক্তারা রামগঞ্জ সংবাদ-এর অগ্রযাত্রায় উত্তরোত্তর সফলতা  কামনা করেন।  

৯ মাস আগে

রক্ষিত প্রজন্ম আর আলোকিত মানুষ গঠনের লক্ষে বই উৎসবে মেতেছে লক্ষ্মীপুরের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৭ আগষ্ট) সকালে জেলা প্রশাসনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে ২৯২টি বিদ্যালয়ে একযোগে লাইব্রেরী কর্ণার উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ের সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিশেষ গল্প উপন্যাস ও ছড়ার নানা ধরণের বইয়ের সমাহারে এ আয়োজন করা হয়। জানা যায়, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ও সুরক্ষিত প্রজন্ম আর আলোকিত মানুষ গঠনের লক্ষে লক্ষ্মীপুরে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। জেলার ৭৩২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৯২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লাইব্রেরী কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে। এসব লাইব্রেরীতে ছোটদের রুপ কথার গল্প, মজার ছড়া, উপন্যাসসহ রকমারি নানা বইসহ ১০৫ ধরণের বই রয়েছে।  আনুষ্ঠানিকভাবে লাইব্রেরী উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন। জেলা প্রশাসক রাজিব কুমারের সভাপতিত্বে এতে পুলিশ সুপারসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেন অতিথিরা।  পরে অতিথিবৃন্দ শহরের টাউন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যেগকে স্বাগত জানান। অনন্য সব সৃষ্টি ও মানব সভ্যতায় বইয়ের কোন বিকল্প নেই উল্লেখ করে শিশুদের মেধা বিকাশ, বই প্রেমী করে গড়ে তোলা এবং মোবাইল আসক্তি ঠেকাতে এ উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলে জানান। মজার সব বই পেয়ে শিক্ষার্থীরাও বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার মানদণ্ডের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নৈতিক মূল্যবোধ, উদার, আধুনিক ও দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে এ আয়োজন।   প্রধান অতিথি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করে বলেন, জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ুক লক্ষ্মীপুর থেকে সারাদেশে এবং বিশ্বময়—এমনটি আমাদের প্রত্যাশা।

৯ মাস আগে

দূযোগ-দূর্ভোগ

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনা নদী বেষ্টিত চর আব্দুল্লাহতে ঘুরতে গিয়ে দেড়শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। শুক্রবার (২৯ মে) রাত সাড়ে ১১ টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা ফিরতে পারেনি। তাদেরকে উদ্ধারে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়েছে। জোয়ার এলেই এসব পর্যটককে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছে রামগতি থানা পুলিশ। এর আগে বিকেলে কয়েকটি ইঞ্জিন চালিত নৌকাযোগে পর্যটকরা চরে ঘুরতে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরপরই ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। নদী উত্তাল থাকায় ঝুঁকিতে আর তাদের ফেরা হয়নি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের সময় লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মেঘনা নদীর বেঁড়িবাঁধে ঘুরতে আসেন অনেকে। এই বিনোদন কেন্দ্রটি মিনি কক্সবাজার হিসেবেও পরিচিত। এরমধ্যে নদী বেষ্টিত চরেও অনেকে ঘুরতে যান। শুক্রবার বিকেলেও কয়েকটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে করে মানুষজন ঘুরতে গেছে। এরমধ্যে নারী-পুরুষ ও শিশুরাও রয়েছে। তারা যাওয়ার পথে অথবা যাওয়ার পরই প্রচন্ড ঝড় হয়। এরমধ্যে নদীও উত্তাল হয়ে উঠে৷ এতে ঘুরতে যাওয়া মানুষজন সেখানে আটকা পড়েন। রাত ১১ টার দিকে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান বলেন, চরে দেড়শতাধিক মানুষ ঘুরতে গিয়ে আটকা পড়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন নদীতে ভাটা, জোয়ারের অপেক্ষা করা হচ্ছে। জোয়ার এলে তাদেরকে নিয়ে আসা হবে।

৫ দিন আগে

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চঘাটে ঘরমুখো যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। লঞ্চ সংকটে দীর্ঘ অপেক্ষায় পল্টুনের স্থান সংকুলানে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে জানান যাত্রীরা। এদিকে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে স্পিডবোটে যাত্রী পারপার অব্যাহত রয়েছে। ঘাটে নৌ-পুলিশ দায়িত্বপালন করলেও স্পিডবোটে যাত্রী পারাপার বন্ধে তাদের সাঁড়াশি পদক্ষেপ দেখা যায়নি।  মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে সদর উপজেলার মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চঘাটে ভুক্তভোগী যাত্রীদের থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। মেঘনা নদী হয়ে লক্ষ্মীপুর-ভোলা ও বরিশাল নৌরুট দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সহজ যোগাযোগ মাধ্যম। যাত্রীরা জানান, সিলেট, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ভোলা বরিশাল ও পটুয়াখালীসহ প্রায় ২১টি জেলার মানুষের লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল নৌ-রুটে চলাচল। ঈদসহ বিভিন্ন সরকারি ছুটিতে এ রুটে যাত্রীদের চাপ দেখা যায়। ভোলার ইলিশ ঘাটের জন্য একাধিক লঞ্চ থাকলেও বরিশালের জন্য রয়েছে এমভি পারিজাত নামে একটি লঞ্চ। দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে লঞ্চটি ঘাট থেকে ছাড়ার কথা থাকলেও লঞ্চটি ঘাটে এসে পৌঁছায় দেড়টার দিকে। এতে বিভিন্ন জেলা থেকে এসে ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। অপেক্ষার চেয়ে বড় ভোগান্তি ছিল পল্টুনের স্থান সংকুলান, বসার ব্যবস্থা না থাকা ও ব্যবহার অনুপোযোগী টয়লেট। লঞ্চঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আব্দুর রহমান ও ঘাট ইজারাদার আমির আহম্মেদ রাজু জানান, পারিজাত লঞ্চটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভোলার ইলিশা ঘাটে ভিড়েছে। সেখানে ত্রুটি সারিয়ে লঞ্চ ঘাটে আসতে দেরি হয়েছে। টয়লেটটি যাত্রীরাই নষ্ট করেছে। এটি আবার পরিষ্কার করে ব্যবহার উপযোগী করা হবে।

১ সপ্তাহ আগে

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে নুর ইসলাম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ জেলে নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলার মাতাব্বরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নুর ইসলাম চর মার্টিন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, সকালে বাড়ি ফেরার পথে তিনি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় উঠেছিলেন। পথে মাতাব্বরহাট এলাকায় পৌঁছালে অসাবধানতাবশত তিনি চলন্ত যান থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করতে গেলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের ছেলে সালাউদ্দিন বলেন, আমার বাবা জীবিকার জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। সকালে বাড়ি ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কমলনগর থানার পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১ সপ্তাহ আগে

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে চারতলা ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল জান্নাত নামে তিন মাস বয়সি এক শিশুর। বুধবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পড়ে যাওয়া দৃশ্যটি ভাইরাল হয়। তবে শিশুটি বুধবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।  এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে রামগঞ্জের পৌর এলাকার আঙ্গারপাড়া পশ্চিমবাজার চারতলা ভবনের সিঁড়ির মাঝখানের ফাঁক দিয়ে নিচে পড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে রামগঞ্জ হাসতালে পরে অবস্থার অবনতি দেখে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিঃসাধীন অবস্থায় মারা যায় জান্নাত। নিহত জান্নাতের বাবা দেলোয়ার হোসেন পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী। স্থানীয় সেলিমের চারতলা ভবনের সবচেয়ে উপরের তলায় ভাড়া থাকতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে শিশু জান্নাত খেলতে গিয়ে চারতলা ভবন থেকে নিচে পড়ে  গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে সেখানে শিশু জান্নাত-এর মৃত্যু হয়।   বিষয়টি নিশ্চিত করে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল বারী। তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে মৃত্যুর বিষয়টি তাদের পারিবারিক ভাবে দেখছে বলেও জানান তিনি।

৮ মাস আগে

‎লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতিগ্রস্ত এক দোকানিকে এক লক্ষ টাকার অনুদানের চেক প্রদান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রামগঞ্জ উপজেলা শাখা। ১৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে উপজেলার পানিওয়ালা বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানি জয়নাল আবেদীনের হাতে এ অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন নেতৃবৃন্দ।  ‎ ‎এর আগে গতকাল ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার পানিওয়ালা বাজারে জয়নাল আবেদীনের মুদি দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে দোকানের অন্তত ২০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।  ‎শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শনে আসেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ। পরে নেতৃবৃন্দ তাদের সার্বিক খোঁজ খবর নেন এবং তাদের সান্ত্বনা প্রদান করেন এবং এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।  ‎ ‎ক্ষতিগ্রস্ত দোকানীর হাতে চেক তুলে দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নাজমুল হাসান পাটোয়ারী। ‎ ‎এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন রামগঞ্জ পৌর শাখার আমির, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট হাসান বান্না, ১০ নং ভাটরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী  ইউনিয়ন সভাপতি জাকির হোসেন শিকদার, জামায়াত নেতা জামাল হোসাইন (প্রবাসী), আলমগীর হোসেন বিপ্লব, মাসুদ আলমসহ বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।   

৮ মাস আগে

  লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে প্রাণ গেল ১০ বছর বয়সী মো. ইসমাইল নামে এক শিশুর।  শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা চিকিৎসক মো. মিজান।  তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় শিশুটির শরীর দগ্ধ হয়। তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি দেখে ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ন ইউনিটে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়। নিহত ইসমাইল ওই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং চরবংশী গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির নির্মাণ শ্রমিক সফিকুল ইসলামের ছেলে।  এর আগে বৃহস্পতিবার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে পড়ে থাকা বিদ্যুতের ছেঁড়া তারের বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ব্যবস্থা না নেয়ায় এমন দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সকালের দিকে এলাকার লোকজন মাটিতে পড়ে থাকা ছেঁড়া তারটি দেখে পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রে কল দেয় কিন্তু সাড়া পাওয়া যায়নি। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসমাইলের মৃত্যু হয়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির রায়পুর কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. মোশারেফ হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর বিষয়টি জানতে পেরে লাইন মেরামত করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খুঁটি থেকে তার ছিঁড়ে যাওয়ার পর কেউ মোবাইল ফোনে কল করে জানাননি। সূত্র জানায়, সারাদেশের ন্যায় লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীরা চার দফা দাবিতে গত এক সপ্তাহ ধরে গণছুটিতে রয়েছেন। জেলার ৬৪৮ জন জনবলের মধ্যে ৫২৮ জন, এবং রায়পুর পল্লী বিদ্যুতের ১০৫ জন কর্মীর মধ্যে ৯১ জন অনুপস্থিত থাকায় মাঠ পর্যায়ে বিদ্যুতের সমস্যা দ্রুত সমাধান হচ্ছে না, যা প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।  

৮ মাস আগে

সভা-সমাবেশ-মানববন্ধন

শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে হত্যা, অব্যাহত নারী নির্যাতন, ধর্ষণ সহ আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রীসংস্থা লক্ষ্মীপুর শহর শাখা। শুক্রবার সকালে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এই কর্মসূচী পালন করে তারা। এসময় রামিসা সহ সকল শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান বক্তারা। এসময় কয়েক শতাধিক ছাত্রী সংস্থার নেত্রী-কর্মী সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

১ সপ্তাহ আগে

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক  সম্পাদক গোলাম সারোয়ারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার আলেকজান্ডার বাজারের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, চরগাজী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক  সম্পাদক গোলাম সারোয়ার আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম করা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একজন সৈনিক। ফ্যাসিবাদের সময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে বিএনপিকে সুসংগঠিত করে রেখেছেন তিনি। চরগাজী ইউনিয়নের সর্বজন স্বীকৃত একজন জনপ্রিয় নেতা সারোয়ার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের দোসরদের হামলা-মামলা, ভয়ভীতি উপেক্ষা করে মাঠে ময়দানে নেতাকর্মীদের সঙ্গে থেকে কাজ করে গেছেন ১৭ বছর। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহলের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সম্প্রতি তাকে রাতের আঁধারে ডেকে নিয়ে একজন নারীকে ব্যবহার করে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শুধু সারোয়ার নয় , আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালান ওই চিহ্নিত মহলটি। এরা সবসময় বিএনপিকে বিতর্কিত করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এরা বিএনপির সাইনবোর্ড ব্যবহার করলেও বিগত আওয়ামী লীগের সহযোগী হিসেবে পরিচিত। যখন যে দল ক্ষমতা আসে,তখন সেই দলের সাথে আঁতাত করে তাদের ব্যবসা বাণিজ্য ও অবৈধ সুবিধা হাসিল করা লোক। চক্রটি বিএনপির জনপ্রিয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে বিএনপিকে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।  এদিকে তামান্না বেগম নামের ওই নারীও এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন,সারোয়ার মিয়া আমাদের কাছে টাকা পাবে। পাওনা টাকার জন্য এসে বাড়ীতে বকাবকি শুরু করলে কিছু লোক এসে আমাদের নামে এসব কুৎসা রটনা করে ফেসবুকে গুজব ছড়িয়ে দেয়।  ঘটনার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই। আমিও এঘটনার নিন্দা জানাই।  নেতৃবৃন্দ বলেন,আমরা চরগাজী ইউনিয়ন বিএনপি এই ধরনের ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং গোলাম সারোয়ারের মত জনপ্রিয় নেতাকে দলের সঠিক জায়গায় মুল্যায়নের জন্য উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানাই। গোলাম সারোয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মানে চরগাজী ইউনিয়ন বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। তাই চরগাজী ইউনিয়ন বিএনপি গোলাম সারোয়ারের সাথে আগেও ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ।  এসময় উপস্থিত ছিলেন-চরগাজী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর ফরহাদ হোসেন পস্তু,সহ সভাপতি আবদুল মতিন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আজাদ উদ্দিন ,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনউদ্দিন সহ চরগাজী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।   

৮ মাস আগে

  লক্ষ্মীপুর থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত সড়কটি দ্রুত চার লেনে উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। গতকাল বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব হলরুমে শহর ও চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এসব দাবি নিয়ে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, লক্ষ্মীপুর-চৌমুহনী সড়কটি জেলার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রধান সংযোগ সড়ক। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ এ সড়কে চলাচল করে। একই সঙ্গে এটি জেলা সদর, কমলনগর, রামগতি ও রায়পুর উপজেলার কৃষিপণ্য, মাছ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও রোগী পরিবহনের প্রধান মাধ্যম। তবে বর্তমানে সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। রিকশা, অটোরিকশা, সিএনজি, ট্রাকসহ ভারী যানবাহনের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, যাতে প্রাণহানিও ঘটছে। সরকারি অবহেলার কারণে লক্ষ্মীপুরবাসীর জন্য এই সড়ক ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। জেলার মধ্যে কোনো রেলপথ বা আকাশপথও নেই। প্রায় ১৯ লাখ মানুষের জন্য এটি একমাত্র ভরসার পথ। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ লক্ষ্মীপুর-চৌমুহনী সড়কটি ৪ লেনে উন্নীত করার একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করে। এতে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২৬৬ কোটি টাকা। তবে এখনও প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়নি। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত তিন বছরে এই সড়কে ৫৯ জনের মৃত্যু ও অন্তত ৪০টি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে, যাতে আহত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এ. আর. হাফিজ উল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা নাসির উদ্দীন, পৌর আমির অ্যাডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান, সেক্রেটারি হারুনুর রশিদ এবং চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খান সুমন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  

৯ মাস আগে

নিজেদের সু-সংগঠিত করার পাশাপাশি সংগঠনকে আরও গতিশীল, শক্তিশালী করতে লক্ষ্মীপুরে জুলাই মঞ্চের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ৯ আগস্ট বাদ মাগরিব শহরের রুটপট রেস্টুরেন্টে জেলা প্রতিনিধিদের নিয়ে মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সাংগঠনিকভাবে সু-সংহত করার লক্ষ্যে নানা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। আগামী আগস্ট মাসে বিভিন্ন সামাজিক, সাংগঠনিক ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জুলাই মঞ্চ লক্ষ্মীপুর জেলা আহ্বায়ক বেলায়েত পাটোয়ারী এবং সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা সদস্য সচিব মোঃ বেল্লাল হোসাইন হৃদয়। সভায় জেলা কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ ও দায়িত্বশীল সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় সংগঠনের চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং মাঠপর্যায়ে সদস্যদের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৯ মাস আগে

ফ্যাসিবাদী সরকার হাটানোর আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র সমন্বয়ক ও সহ-সমন্বয়কদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ বিপ্লবী ছাত্রসংসদ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখা। গত বৃহস্পতিবার (৩১জুলাই) বিকেলে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বিপ্লবী ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রহিম আসাদ এ দাবি তোলেন। এ সংগঠনের অন্যান্য দাবিগুলো হচ্ছে, ১।জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদ প্রণয়ন ২। জুলাই গণহত্যার বিচার ৩। জুলাই বিপ্লবে শহীদের ক্ষতিপূরণ ও আহতদের সুচিকিৎসা প্রদান ৪। জুলাই বিপ্লবকে সুসংহত রাখতে একটি বিপ্লবী ফোর্স গঠন করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ১জুলাই সাংগঠনটি ৩৬দিনের জুলাই কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আগামী ৩৪জুলাই (৩আগস্ট) জাতীয় শহীদ মিনারে ছাত্রসমাবেশ করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, যুগ্ন-আহ্বায়ক নূর উদ্দিন নাহিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম আনাস, সদস্য সাকিব হোসেন হৃদয় ও শাহাদাত হোসেন প্রমুখ। 

১০ মাস আগে

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেছেন, জেলায় কেউ চাঁদাবাজি করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। চাঁদাবাজদের কোন প্রকার ছাড় নয়। অপরাধী চাঁদাবাজদের কোন দল নাই। পুলিশ প্রশাসনকে সাথে নিয়ে জেলা প্রশাসন সবসময় কঠোর অবস্থানে আছে থাকবে। গত রবিবার জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ও অস্থীতিশীল করতে দেয়া হবে না। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক অপরাধ কর্মকান্ড নির্মূলে কাজ করছে পুলিশ। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে খাল-নদী ও সরকারী জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকারের সভাপতিত্বে কার্যালয়ের হলরুমে সভার অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন, লক্ষ্মীপুর সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মেজর জিয়া উদ্দিন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও পৌরসভার প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মেজাবাহ উল আলম ভূঁইয়া, শিক্ষাবিদ প্রফেসর জেড এম ফারুকী, জেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার রুহুল আমিন ভূঁইয়া, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, ছাত্র প্রতিনিধি আরমান হোসেন সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তর প্রধান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমানে জেলায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতি অনেক ভালো। চুরি-ডাকাতি, হানা-হানি, মারা-মারিসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি যেন না হয়, সেদিকে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। জেলার প্রতিটি এলাকায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে সর্তক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। সভায় জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি পর্যালোচনাপূর্বক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

১০ মাস আগে

অনুষ্ঠানমালা

দীর্ঘ ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সে সময় লক্ষীপুরে অর্থনৈতিক জোন গঠনের ঘোষণা দেন তিনি।শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ্যানি চৌধুরী লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘রাস্তা-ঘাট, জলাবদ্ধতা, স্কুল-কলেজ, মাদরাসাসহ উন্নয়নের দিক থেকে আমরা অনেক বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর। এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে। আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন গঠন করবো।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি, উপেক্ষিত না হই। চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, বিএনপি চাইলে তা সম্ভব।’

২ সপ্তাহ আগে

“পরিবর্তনে অঙ্গীকার এই স্লোগানে” লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার টুমচরে ইউনিয়নে গুণিজনদের ও বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে অরাজনৈতিক ও সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোকিত টুমচর। শনিবার দুপুরে টুমচর ইসলামিয় কামিল মাদরাসা মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন টুমচর মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শায়খুল হাদিস মাওলানা হারুন আল মাদানি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রফেসর সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ, প্রফেসর মোঃ সোলাইমান, প্রফেসর মো. নূরনবী, বিসিএস কনফিডেন্স  প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন রাজু, লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমি, মাওলানা মোঃ মাহমদুন্নবী, মাওলানা মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন বাহার, রেজাউল করিম। সংগঠনের সভপতি মাওলানা মোঃ আবদুজ জাহের মাহমুদ এর সভাপতিত্বে ও  হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ মনির আহমেদের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টুচর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান সৈয়দ নুরুল আমিন লোলা,লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক ও নয়াচাঁদ পত্রিকার সম্পাক শাকের মোহাম্মদ রাসেল সহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।  এসময় ২০২৪-২৫ সালে এসএসসি, এইচএসসি, দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় এ প্লাস প্রাপ্ত  ১৮ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ক্রেস্ট  প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ১৫ জন গুণীজনকে সংবর্ধিত করা হয়।              অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তাগণ সংগঠনের এই ধরনের উৎসাহ উদ্দীপনা মূলক অনুষ্ঠানের ভূয়সী  প্রশংসা করেন। সংবধি'ত গুণীজন সাংগঠনের এ ধরনের কার্যক্রমে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সম্মানার্থে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকগণ তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং বলেন এ ধরনের সম্মাননা তাদেরকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতের জন্য গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে। এস এম রাসেল/২৯ নভেম্বর‘২৫

৬ মাস আগে

লক্ষ্মীপুরের ৫১৩ জন গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পোশাক বিতরণ করেছে জেলা প্রশাসক। গতকাল সোমবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সমাবেশে এসব পোশাক বিতরণ করা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও পৌর প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেন, স্বল্প বেতনে সরকারের সব উন্নয়ন, দুর্যোগ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সহযোগিতা করে গ্রাম পুলিশ। কিন্তু তাদের চরম কষ্টে দিন কাটে।  তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ মান উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে। একই সময় দেশের স্বার্থে তাদের আরো জোরালোভাবে কাজ করার আহ্বান জানান পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন।    

৯ মাস আগে

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুর হোসেন এর অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) স্কুল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কে এম জামান। সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এম মনিরুল হক এর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম,সদর(পূর্ব) উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শাহ্ মোহাম্মদ এমরান,জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো,সদর উপজেলা প্রাথমিকক শিক্ষক সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা,ভবানীগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুম মুনির,স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি আহবায়ক এস এম আজাদ। শিক্ষক আবদুর রহিম এর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক নেতা সফিকুল ইসলাম সবুজ,মো. জাকির হোসেন,শরীফ মাহামুদ,ফছিউল আলম টিপু,সাইফুল হাসান পরান প্রমুখ। বিদায় সংবর্ধনায় বিদায়ী শিক্ষক নুর হোসেন এর শিক্ষকতা জীবনের বিভিন্ন দিক আলোকপাত ও স্মৃতিচারন করেন বক্তারা। শেষে বিদায়ী শিক্ষকের হাতে বিভিন্ন পুরুস্কার তুলে দেন সহকর্মীরা। এরপর বিশেষভাবে সাজানো একটি প্রাইভেট কার এ করে বিদ্যালয় আঙিনা থেকে তাঁকে চরভুতার নিজ বাড়ীতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এসময় বিদ্যালয়জুড়ে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। প্রসঙ্গত : মো. নুর হোসেন দীর্ঘ ২৩ বছর ভবানীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষকতার দীর্ঘ সময়ে তিনি দায়িত্বশীল,নিষ্ঠাবান,সততা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন বলে সহকর্মী ও স্থানীয়রা জানান।

১০ মাস আগে

পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে লক্ষ্মীপুরে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার। জেলা প্রশাসন ও উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী উপকূলীয় বন বিভাগের কর্মকর্তা আবু ইউসুফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খ্রীসা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা এবং সহকারী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা মিঠুন চন্দ্র দাসসহ আরও অনেকে। উদ্বোধনের আগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি কালেক্টরেট প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। মেলায় বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমাহারে ১৩টি স্টল বসানো হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা স্টল পরিদর্শন করেন এবং বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

১০ মাস আগে

ন্যায্য ও সম্ভাবনাময় বিশ্বের পছন্দের পরিবার, গড়তে প্রয়োজন তারুণ্যের ক্ষমতায়ন" এই প্রতিপাদ্যে লক্ষ্মীপুরে পালিত হয়েছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকার। জেলা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন ডাঃ আবু হাসান শাহীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক) সম্রাট খীসা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। পরে দিবসটি উপলক্ষে বছরের বিগত দিনে স্বাস্থ্য ও পরিবার বিষয়ক কাজে শ্রেষ্ঠ দায়িত্বশীলদের ক্রেষ্ট ও সনদ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

১০ মাস আগে

অনিয়ম-দূনীতি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে উচ্চতর গণিত বিষয়ে নকল করায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার (১৭ মে) পরীক্ষা চলাকালীন উপজেলার তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব কামাল উদ্দিন বাহার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শিক্ষকরা জানান, আজ ঐচ্ছিক বিষয় উচ্চতর গণিত পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার মাঝামাঝি সময়ে এক পরীক্ষার্থী নকল বের করে লিখছিল। ঘটনাটি পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত শিক্ষকদের নজরে পড়ে। তবে সে নকলের বিষয়ে অস্বীকার করে। পরে তল্লাশি করলে তার কাছ থেকে নকল উদ্ধার করা হয়। কেন্দ্র সচিব কামাল উদ্দিন বাহার বলেন, নকল করার সময় এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দায়িত্বরত শিক্ষকরা তার কাছ থেকে নকল পেয়েছেন।

২ সপ্তাহ আগে

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে  জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ এনে  সংবাদ সম্মেলন করেন শ্যালক-দুলাভাই।  দুলাভাই জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে গিয়ে হামলা ও তাকে মেরে ফেলার হুমকির  প্রতিবাদে শালা  বিরুদ্ধে শনিবার সকালে কমলনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এর আগে শ্যালক মাকছুদুর রহমান গত বুধবার তার পরিবারের বিভিন্ন সময়ে জাল দলিল করে ২৯ একর জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ এনে দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন। ওই সময় শ্যালক মাকছুদুর তার বোন জামাই দুলাভাইকে ভূমিদস্যু অ্যাখা দিয়ে অভিযোগ করে বলেন , জাহাঙ্গীর আলমকে ৪২  আগে তার বাবা হাজী হাছানুজ্জামান তাদের জমি জমা দেখা শুনার দায়িত্ব দেন।  সেই থেকে তার বাবার সাথে প্রতারণা করে কিছু জমি নিজের নামে রেকর্ড করে নেয়। এর পর তার বড় ভাইয়ের শ্বশুর মোহাম্মদ উল্লাহ, চরকাদিরা ইউনিয়নের সফিক উল্লাহ বাংলা নেতা এ আসনের সাবেক সাংসদ মেজর (অব:) আবদুল মান্নানের সাথে আঁতাত করে তখনকার সময়ে চরকাদিরা ইউনিয়নে আমার বাবার সকল জমি রেকর্ড করে নেওয়ার পায়তারা করে ব্যর্থ হয় জাহাঙ্গীর। এর পর সে কৌশলে  জাল দলিলের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৮একর ৭৩ শতাংশ জমি দখল করে নেয়। তিনি আরও বলেন, আমার বাবার মৃত্যুর পর আমরা যখন বাবার জায়গা জমির হিসাব চাইলে সে তালবাহানা শুরু করে এবং আমাদের জমির কোন দলিল পত্র দেয়না। পরে দলিলসহ  সকল কাগজ পত্র সংগ্রহ করলে তার এ সব অনিয়মের হিসাব দেখতে পাই আমরা। ‎এসব বিষয় নিয়ে থানায় একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে বাবার সকল জমি পরিমাপের সিদ্ধান্ত হয়। পরে পারিবারিক একটি বৈঠকে জমির সকল কাগজপত্র নিয়ে বসলে ওখানেও জাহাঙ্গীর আরো ৯একর ৫৪ শতাংশ জমি কাগজ পত্রের গড়মিল দেখায়। আমাদের জায়গায় সম্পত্তির বিষয় জানতে চাইলে ক্ষীপ্ত হয়ে  আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেয়।  জাহাঙ্গীরের জালিয়াতির হাত থেকে খালা ও মামারাও  বাঁচতে পারেনি। মামা আবদুল হাকিমকে ২০০৩ সালে মৃত দেখিয়ে ২একর ৪০ শতাংশ জমি হাতিয়ে নেয়। কিন্তু আমার মামা  মারা যায় ২০২২ সালে। ‎এ দিকে শ্যালকের আনিত অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে জাহাঙ্গীর আলম পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, শ্যালক মাকছুদ তার বিরুদ্ধে যে ২৯ একর জমি দখলের কথা বলছে তার ওই পরিমান সম্পত্তিও নাই। শ্বশুরে অনুরোধে তিনি শালাদের সকল জমি বিভিন্ন দখলদারদের থেকে উদ্ধার করেছেন। সাংসদ মেজর (অব:) আবদুল মান্নানের তার শ্বশুর জমি দখলে নিয়েছেন। মেজর আবদুল মান্নানের বিরুদ্ধে আমি একাই লড়েছি। এতে অনেক মামলা হামলার স্বীকার হতে হয়েছে। এছাড়াও জাহাঙ্গীর বলেন, কাজের লোকের জমি আমার শ্বাশুড়ির নামে রেকর্ড।  আমি দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলাম। বিদেশ থাকা অবস্থায় তার মামাদের ওই জমি আমার স্ত্রীর সালমা বেগমের নামে কিনেছি। ওই জমি আমার শ্বাশুড়ির  রফিকা খাতুনের নামে আর.এস ১০০৮ নং খতিয়ানে রেকর্ড করে নেয় মাকছুদ। খতিয়ানের রেকর্ডের বিরুদ্ধে এল.এস.টি মামলা  আদালতে বিচারাধীন। ‎জাহাঙ্গীর বলেন আমার বিরুদ্ধে মাকছদ ইতোপূর্বে যে সংবাদ সম্মেলন ও সংবাদ পরিবেশন করান তাহা সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। তার থেকে আমি টাকা পাই। ওই টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করলে মাকছুদ আমার বাড়িতে গিয়ে আমার ঘরের সকল মালামাল ভাঙচুর করে। এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। নিরুপায় হয়ে আমি থানায় অভিযোগ দেই। পরে তার অন্য ভাইরা গিয়ে মুচলেকা দিয়ে তাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনে। এর পর মাকছুদ দক্ষিণ চর কাদিরা মৌজায় তার বড় বোন ছালমা বেগম ও আমার মালিকীয় ৪৮ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে নেয় এবং ছালমা বেগমের আরও ৮একর জমি দখল করার পাঁয়তারা করলে আমি কমলনগর থানায় গত পহেলা সেপ্টেম্বর একটি অভিযোগ দায়ের করি। এতে নিজের অপকর্ম ঢাকতে  আমার বিরুদ্ধে  প্রেসক্লাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে উক্ত সংবাদ সম্মেলন করে। আমিও প্রকৃত ঘটনার বিচার চাই।

৮ মাস আগে

লক্ষ্মীপুরে রিপোর্টার  লক্ষ্মীপুরে নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে অভিযান চালিয়েছে জেলা নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ। এসময় লেভেলে মিথ্যা তথ্য সম্বলিত ও অনুমোদনহীন খাদ্যপণ্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদের অপরাধে পরিবেশক মেসার্স গোপাল কৃষ্ণ বনিক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।  মঙ্গলবার দুপুরে শহরের দক্ষিণ তেহমুনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহ ম্যাজিস্ট্রেট  জামশেদ আরম রানা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা অভি দাশ।  অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর । এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহীনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম রানা বলেন  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও কর্তৃপক্ষ, লক্ষ্মীপুর এর সহযোগিতায় লক্ষ্মীপুর শহরের  মেসার্স গোপাল কৃষ্ণ বণিক এর গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করাহয়। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী মেসার্স গোপাল কৃষ্ণ বণিক এর মালিক শান্তি বণিকের দুই লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার সুমধু চক্রবর্ত্তী ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। 

৯ মাস আগে

চলতি আমন মৌসুমের শুরুতে সংকট দেখিয়ে লক্ষ্মীপুরের  রামগতিতে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে ডিলার, সাব-ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে।  স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে ইউরিয়া, ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) ও মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট স্থানে সার বিক্রি না করে অন্য স্থানে কৃষকের পরিবর্তে পুকুরের মালিকদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে। নেই মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের মনিটরিং। ৫০ কেজি টিএসপি সারের দাম সরকার নির্ধারিত মূল্য এক হাজার ৩৫০ টাকা হলেও বিক্রি করা হচ্ছে এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৬৫০ টাকায়। ডিএপি সারের দাম এক  হাজার ৫০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৩৫০ টাকা বা তারও বেশি দামে। আর এমওপি সারের দাম এক হাজার টাকা হলেও বিক্রি হচ্ছে এক  হাজার ২৫০ টাকায়। বিক্রয় মূল্য তালিকা প্রকাশ্যে টানানোর কথা থাকলেও তা টানানো হয়নি। কেউ কেউ তালিকা আড়ালে টানিয়ে রেখেছেন। কৃষকদের অভিযোগ, কৃষকদের কাছ থেকে সারের দাম বেশি নিলেও বেশিরভাগ ডিলার কোন রশিদ দিচ্ছেন না। কেউ কেউ দিলেও তাতে সরকার নির্ধারিত দামই দেখানো হচ্ছে। সার কিনতে গেলে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা সংকটের কথা বললেও, বেশি দাম দিলেই সার মিলছে। অনেক ডিলার আবার দোকানের সরকারি মূল্য তালিকা ঢেকে রাখছেন। কোনো কোনো দোকানে মূল্য তালিকাই নেই। ধানক্ষেতে প্রয়োগের জন্য আগে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পটাশ এখন ৩০ টাকা, ২১ টাকার ডিএপি ২৬ টাকা এবং ২৭ টাকা কেজির ইউরিয়া সার বিক্রি করা হচ্ছে ২৯ টাকা দরে। অনেক জায়গায় এর চেয়েও বেশি দাম রাখা হচ্ছে। অনেকে চড়া দামে পুকুরে মাছ ব্যবসায়ীদের কাছে সার বিক্রি করছেন। এতে ব্যাহত হচ্ছে ধানের আবাদ। উপায় না থাকায় তারা বেশি দামে ইউরিয়া, টিএসপি ও অন্যান্য সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রতি কেজিতে নির্ধারিত দামের চেয়ে তিন থেকে ছয় টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপজেলার আটটি  ইউনিয়নে বিসিআইসি সারের ডিলার রয়েছেন আটজন, বিএডিসির ডিলার রয়েছেন ৬ জন ও সাব লিডার রয়েছেন ৭০জন। উপজেলায় এ বছর আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। সব মিলিয়ে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে উপজেলায় ইউরিয়া, টিএসপিসহ অন্যান্য সারের চাহিদা প্রায় ১৮হাজার টন। চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ রয়েছে। ইউরিয়া ও টিএসপি ২৭, পটাশ ২০ ও ডিএপি ২১ টাকা কেজি সরকার নির্ধারিত দাম। উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের কৃষক আবদুর রহমান ও মতিন  বলেন, “ধান চাষ করতে ফসফেট সার খুবই প্রয়োজন। কিন্তু সারের দোকানদার ঠিকমতো এই সার দিচ্ছেন না। আবার দিলেও সাড়ে ১৩০০ টাকার ফসফেট সারের দাম নেওয়া হচ্ছে ১৬০০ থেকে ১৯০০ টাকা করে। তার পরও তারা অনেক রাগ দেখান। বলেন ‘নিলে নেও, না নিলে চলে যাও’। তারা বলেন, ‘এভাবে যদি আমাদের ঠকানো হয়, তাহলে চলব কী করে? সরকার কি এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবে না। উপজেলার রঘুনাথপুর  গ্রামের কৃষক কামাল, গিয়াসউদ্দিন , মালেক আহমদ উল্লাহসহ একাধিক কৃষক বলেন, সরকার সারের যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, সেই মূল্যে আমরা সার পাচ্ছি না। সাড়ে ১৩০০ টাকার ফসফেট সার আমরা কিনছি ১৬৮০ থেকে ১৭৫০ টাকা বস্তা দরে। সার ব্যবসায়ীরা আমাদের চিপাবাঁশের ফাটায় আটকে রাখছে। তাদের ইচ্ছায় আমাদের চলতে হচ্ছে। উপজেলার উত্তর বড়খেরী  গ্রামের কৃষক বলেন, ‘আমি এবার ১৬বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করতে জমি প্রস্তুত করেছি। সার পর্যাপ্ত পরিমাণ আছে, এটা ডিলার ও ব্যবসায়ীদের একটা সিন্ডিকেট। ফ্যাসিবাদ পালিয়েছে, কিন্তু তাদের দোসররা এইটা চালিয়ে যাচ্ছে। ১৩৫০ টাকার ফসফেট সার মূল ডিলাররা সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সাড়ে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত দাম ধরছে। তাহলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা কি দামে বিক্রি করবে? তিনি আরো বলেন, ‘১০৫০ টাকার এক বস্তা ডেপ সারের দাম নেওয়া হচ্ছে ১৫৫০ টাকা এবং ১০০০ টাকার পটাস ১৩০০ টাকা। প্রশাসনের মনিটরিংয়ের দাবি তাদের। তবে অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে সার ডিলাররা বলছেন, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বা এলাকার বাইরে কৃষকের পরিবর্তে ঘের ব্যবসায়ীদের কাছে সার বিক্রি করছেন না তারা। কিন্তু কৃষকদের কাছে সার বিক্রি করা রেজিস্টার খাতা দেখতে চাইলে অনেক ডিলার তা দেখাতে পারেননি।   সার ডিলার মেসার্স  রাকিন এন্টারপ্রাইজ এর মালিক সাখাওয়াত হোসেন ভুট্টু বলেন, ‘আমাদের ডিলার পয়েন্ট থেকে দাম কখনো বেশি নেওয়া হয় না। কেউ কেউ দুই এক বস্তা আমাদের কাছ থেকে সার কিনে লাভের আশায় কৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করে থাকে। অভিযোগের বিষয়ে ডিলার মেসার্স বিটুল ষ্টোর স্বত্বাধিকারী বিটুল বলেন, ‘কেউ বেশি দামে বিক্রি করছে কি না জানি না। তবে আমি একটু বেশি দামেই বিক্রি করছি কারণ আমরা কৃষি অফিসে কিছু দেওয়া লাগে(টাকা)  বড়খেরী  ইউনিয়নের বিএডিসির ডিলার সাখাওয়াত হোসেন ভুট্টুর দাবি, নির্ধারিত মূল্যেই সার বিক্রি করা হচ্ছে।চরগাজী ইউনিয়নের বিসিআইসি খুচরা সার বিক্রেতা ফেরদৌস উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ্রাবণী রায়কে বলেন আমি কেজি প্রতি ৩-৪ টাকা বেশি নিতে হয় কারণ ডিলার আমাদের কাছ থেকে কৃষি অফিস নির্ধারিত দামের চেয়ে ১৩০টাকা বেশি নেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মজিবুর রহমান  বলেন, ‘সারের দাম বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই। আমরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে মোবাইল কোর্টসহ বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আমজাদ বলেন, ‘বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমাদের নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান চলমান রয়েছে। কৃত্রিম সার সংকটের কোনো সুযোগ নেই। সারের দাম বেশি নিলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

৯ মাস আগে

লক্ষ্মীপুরের রামগতির ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া কলাকোপা মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও শিক্ষার মান নষ্টের অভিযোগে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা সহ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। গতবৃহস্পতিবার ১৭ জুলাই সকালে শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন। পরে তারা সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের কাছে লিখিতভাবে ২০ দফা অভিযোগ তুলে ধরেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন, আওয়ামীলীগ নেতা ও কমিটির সভাপতি ইলিয়াস মিয়া, আওয়ামীলীগ যুবলীগ নেতা রিয়াজ, মহি উদ্দিন, মোসলেহ উদ্দিন ও শহিদ মেম্বার। তাদের সিন্ডিকটে এসব অনিয়ম করেছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বর্তমানে যে কমিটি মাদ্রাসাটি পরিচালনা করছে, তার কোনও বৈধতা নেই। তারা বেফাক বোর্ড ও বৈধ শুরা কর্তৃক অনুমোদিত নয়। এ কমিটি একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে। তারা অভিযোগ করেন, দোতলা ভবন ভেঙে সেখানে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। একাধিক প্রকল্পে যেমন ফটোকপি মেশিন ক্রয়, কার্পেট কেনা, পুকুর ভরাট, সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ নানা খাতে অতিরিক্ত অর্থ দেখিয়ে দুর্নীতি করা হয়েছে। এছাড়াও রমজান মাসে থাকা-ভাতা ও বোনাস থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে। ইফতার মাহফিল, অভিভাবক সম্মেলনের নামে অর্থ অপচয়ের অভিযোগও উঠেছে। শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, সিনিয়র শিক্ষকদের হেনস্তা, বেতন বৈষম্য, এমনকি মুখে কসটেপ লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়। শিক্ষার মান চরমভাবে নেমে গেছে বলেও অভিযোগ ওঠে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, কিছুদিন ধরে মাদ্রাসায় ছাত্রদের ভয়ভীতি দেখানো, মারধরের হুমকি এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কর্মীদের দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে বলে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। তারা অনতিবিলম্বে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির বিলুপ্তি, দুর্নীতির তদন্ত ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এঘটনায় ওইদিনেই কমিটি বিলুপ্তি করেন মাদ্রাসার মোহতামি মাওলানা আকতার।

১০ মাস আগে

দীর্ঘদিন যাবত লক্ষ্মীপুর থেকে জকসিন পর্যন্ত সড়কটি সংস্কার না করায় সড়ক ও জনপদ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলীর গায়েবানা জানাযা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় শহরের দক্ষিণ তেমুহনী সড়ক ও জনপদ অফিসের সামনে সর্বস্তরের মানুষ ঘন্টাব্যাপি এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা সিসিএস এর প্রধান সমন্বয়ক আবুল হাসান সোহেল, জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরমান হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিয়ান রায়হান, সদস্য সচিব মো. শাহেদুর রহমান রাফি, মুখপাত্র বাইজিদ হোসাইন, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম খলিল। এসময় বক্তারা বলেন, লক্ষ্মীপুর থেকে জকসিন পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। রাস্তায় খানাখন্দ ও ভাঙ্গাচোরায় বেহাল দশা। এতে করে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কয়েক দফায় সড়ক ও জনপদ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলীকে এ বিষয়ে অবগত করলেও কোনো ধরনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই এই গায়েবানা জানযার আয়োজন করা হয়েছে। অতিসত্ত্বর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি নেয়া হবে বলে জানান বক্তারা। এ বিষয়ে জানতে সড়ক ও জনপদ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামকে অফিসে গিয়েও পাওয়া যায়নি।

১০ মাস আগে

গণমাধ্যম

লক্ষ্মীপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক নয়া চাঁদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জেলার বার্তা বাহক (হকারদের) সাথে ঈদ উপহার বিতরণের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান দৈনিক নয়া চাঁদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক শাকের মোহাম্মদ রাসেল। গত ১৬ মার্চ সোমবার সকালে হকারদের মাঝে এসব ঈদ উপহার (পাঞ্জাবী) তুলে দেয়া হয়। প্রতিবছর ব্যক্তি উদ্যোগে দিয়ে থাকলেও প্রথম বারের মতো নয়া চাঁদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। জেলার ৯ জন হকার সহ মোট ২১ জনের মাঝে এসব পাঞ্জাবী উপহার দেয়া হয়। এছাড়াও ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জনকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।  ফাউন্ডেশেনের চেয়ারম্যান বলেন, সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষদের মুল্যায়ন করলে মানুষের নিকট মানুষের মূল্যায়নটা গভীর হয় এবং আত্বতৃপ্তি পাওয়া যায়। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছরের ন্যয় এবারো হকারদের ঈদ উপহার পাঞ্জাবী দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি অসহায় গরীব দুস্থ্যদের মাঝে স্বল্প কিছু অর্থ দেয়া হয়েছে।আগামীতে আরো ভালো কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই সমাজে নিন্ম আয়ের মানুষদের স্বাবলম্ভী করতে, গরীবের মুখে হাঁসি ফুটাতে, মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে, ঝরে পড়া শিশু শিক্ষার্থীদের নতুন পথের আলো দেখাতে এবং সর্বপরি সকল কষ্টের লাগব করতে নয়া চাঁদ ফাউন্ডেশন কাজ করব বলে আশা পোষণ করছি।   

২ মাস আগে

ব্যবসা-বাণিজ্য

দেশে ব্যবসায়ী কাজের ব্যস্ততার পাশপাশি ব্যবসার উন্নতি সাধনে ব্যবসায়ীক কাজে বিদেশে সফরে গিয়েছেন দৈনিক নয়া চাঁদ পত্রিকার সহ-সম্পাদক ও মহাসাগর গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম করিম(সাইফুল করিম) তিনি গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক শাহজালাল বিমান বন্দর হয়ে বিদেশ গমন করেন। তিনি সকলের দোয়া কামনা করেন। তার সফর সঙ্গী হিসেব রয়েছে তারই বন্ধু শাহদাত হোসেন।  প্রথমে আবুদাবির দুবাইতে পরবর্তীতে সাউথ আফ্রীকা সহ বিভিন্ন দেশে সফর শেষে সৌদি আরবে গিয়ে ব্যবসায়ীক কাজ শেষে উমরাহ পালন করে দেশে ফিরবেন বলে জানাগেছে। দুবােই শারজাহ এয়ারপোর্ট নেমে তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে লিখেন-  গুড মর্নিং শারজাহ এয়ারপোর্ট (দুবাই),.... ভ্রমণ শুধু ঘোরাঘুরি নয়, এটি নিজের জন্য এক অনন্য উপহার। ভ্রমণ করলে মন ভালো থাকে, কাজের গতি বাড়ে, নতুন অনুপ্রেরণা জন্মায়। ভালো-মন্দ বুঝার সুযোগ হয়, আর পৃথিবীকে জানার জানালা খুলে যায়। কারণ ভ্রমণের প্রতিটি মুহূর্তই শিক্ষা, আনন্দ আর নতুন অভিজ্ঞতার সমন্বয়। তার সফর সুফল হউক। পাঠকের নিকট দোয়া কামনায় এমন প্রত্যাশায়।  

৮ মাস আগে

এবি ব্যাংক পি এল সি ও ফিল্পস লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। যার অধীনে এবি ব্যাংক তারা গ্রাহকদের ডিজিটাল ঋণ সুবিধা প্রদান করবে, যা ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং পরিধি প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এবি ব্যাংক পি এল সি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ মিজানুর রহমান এবং ফিল্পস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ধাকাল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর কালীন সময়ে উপস্থিত ছিলেন এ বি ব্যাংক পি এল সি এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াজুল ইসলাম, জেড এম বাবর খান ও মহাদেব সরকার এফসিএ।  ফিল্পস লিমিটেডের প্রতিনিধিত্বকারী রসিকঋষিকেশ নেপাল, চিপ পার্টনারশিপ অফিসার, অভিষেক ছেত্রী, চিফ স্টাফ অফিসার ও তুষার হাসান কান্ট্রি, ম্যানেজার বাংলাদেশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন

৯ মাস আগে

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লক্ষ্মীপুরের কৃতি সন্তান ওমর ফারুক খান। এর আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব পালন করেছেন।  ওমর ফারুক খান ২০২৮ সাল ৩০ জুলাই তারিখে বয়স ৬৫ বছর হওয়া পর্যন্ত এমডি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। গত রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইস্যুকৃত এক চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। আগামী ১৫ আগস্ট শুক্রবার জেলাবাসী তাকে সংবর্ধণা দেয়ার কথা রয়েছে। নব নিযুক্ত এমডি ওমর ফারুক খানের গ্রামের বাড়ী রায়পুর উপজেলার বামনী ইউনিয়নের খায়ের হাটের এলাকার খান বাড়ী। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ওমর ফারুক খান ইসলামী ব্যাংকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িয়ত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাংকিং খাতে ৩৭ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তিনি ইসলামী ব্যাংকের অন্যতম বৃহৎ অপারেশনাল ইউনিট আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং উইং, স্থানীয় কার্যালয়, বিভিন্ন ডিভিশন, জোন অফিস ও শাখায় গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৬ সালে ইসলামী ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন ওমর ফারুক খান। পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি সুইজারল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, মালয়েয়শিয়া ও ভারতে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও ক্রেডিট ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম শরিয়াহ ভিত্তিক তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক। নতুন এমডি হিসেবে ওমর ফারুক খানের নিয়োগ ব্যাংকটির পরিচালনায় নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।  

৯ মাস আগে

‎‎সয়াবিন উৎপাদ ও বাজারমূখী অর্থনীতিক সম্মৃদ্ধি করার লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরে রামগতিতে দুই হাজার সাতশ কৃষককে নিয়ে প্রথমবারের মত গঠন করা হয়েছে সয়াবিন উৎপাদনকারী কৃষক সমবায় সমিতি। এ সমবায় সমিতিতে কার্যকরী কমিটিতে রয়েছেন সয়াবিন চাষি ২০ জন কৃষক।       বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার চরগাজী ক্লাস্টারে সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার উদ্যোগে এ সমবায় সমিতির উদ্বোধন করা হয়।  ‎জানা যায়, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া ২০২৫ সাল পর্যন্ত জেলার কমলনগর, রামগতি,  রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর সদরসহ নোয়াখালীর সুবর্ণচর ও নোয়াখালী সদরের ৭১ হাজার ৬৬৯ হেক্টর জমিতে ৮৫ হাজার ৮৫৪ সয়াবিন চাষিকে সহায়তার দিয়ে সয়াবিন চাষ নিশ্চিত করেছে। সয়াবিনের এ ব্যবসায়ীক সুযোগকে কাজে লাগীয়ে রামগতির চরগাজী এলাকায় ২৭১০ কৃষকদের মালিকানাধীন  সমবায় হিসেবে সরকারি সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধন নেয়। সমবায়টি গুণগত মানসম্পন্ন সয়াবিন বীজের ধারাবাহিক সরবরাহ নিশ্চিত করে স্থানীয় বীজ ব্যবস্থা শক্তিশালী করণ এবং বিদ্যমান নারী বীজ উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। ‎ ‎     এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জহির আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার হেড অফ সাপ্লাই চেইন এন্ড প্রাইভেট সেক্টরের এনগেজমেন্ট মোহাম্মদ মুজিবুল হক, নোয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণের প্রশিক্ষক শহিদুল ইসলাম, নোয়াখালী সলিডারিডাড প্রকল্প ম্যানেজার মোঃ রাশেদুল ইসলাম ও সাপ্লাই চেইন এর সহকারী ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন সহ অনেকে। ‎    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা সয়াবিন চাষীদের ক্ষমতায়ন, সমবায় গঠন ও বীজ উদ্যোক্তা উন্নায়ন এবং স্থানীয় সয়াবিনের মূল্য সংযোজন প্রচারে সলিডারিডাডের কার্যক্রম ভুয়সী প্রশংসা করেন। তারা কৃষকদের ন্যায্য বাজার মূল্য নিশ্চিত করন, নারী নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ শক্তিশালী করন এবং উপকুলীয় অঞ্চলে বাজার মুখী সয়াবিন উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে এ সমবায়ের ভবিষ্যৎ সাফল্যের উপর দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‎অনুষ্ঠান শেষে সমবায় নেত্ববৃন্দের হাতে সমবায় সমিতির নিবন্ধন সনদ হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও দুইজন উদ্যোক্তার মাঝে সয়াফুড ভ্যান ও ২৭জন সয়াবিন সংগ্রহকারী ব্যবসায়ীর মাঝে ব্যবসায়ীক উপকরণ বিতরণ  করেন  অতিথিবৃন্দ।

১০ মাস আগে

ই-কমার্স খাতের বাস্তব উদ্যোক্তা, মহাসাগর গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ সাইফুল করিম আগামী ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত্ব ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (e-CAB) এর নির্বাচনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। তিনি শুধুমাত্র একজন প্রার্থী নন, বরং একজন বাস্তব ই-কমার্স উদ্যোক্তা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ইন্ডাস্ট্রির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দলমত নির্বিশেষে সকলের আস্থা কুড়াতেও সক্ষম হয়েছেন মুহাম্মদ সাইফুল করিম। সাইফুল করিমের নেতৃত্বে পরিচালিত মহাসাগর গ্রুপ এর অধীনে বর্তমানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: 🔹 মহাসাগর আইটি সলিউশন 🔹 আপন কমিউনিটি (রিয়েল এস্টেট) 🔹 মহাসাগর ডোমেইন অ্যান্ড হোস্টিং 🔹 আল আযহার ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ 🔹 মহাসাগর ট্রেনিং ইনস্টিটিউট 🔹 রোব বাংলাদেশ (পাঞ্জাবি প্রোডাকশন) 🔹 মালাবিস ফ্যাশন 🔹 মহাসাগর ড্রপশিপিং 🔹 হায়া বাই রোব (লাইফস্টাইল ফ্যাশন ব্র্যান্ড) তিনি JCI Dhaka Pioneer-এর ডিরেক্টর এবং Positive Network-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। সাইফুল করিম বলেন, > “আমি নির্বাচিত হই বা না হই, ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির ছোট উদ্যোক্তাদের স্বপ্নপূরণে পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ। আমি চাই সবাই মিলে এই সেক্টরকে আরও শক্তিশালী করি — স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনার মাধ্যমে।” তিনি বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI-based) প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্ব দিতে চান যাতে ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হন। এই নির্বাচনে তিনি ভোটারদের কাছে একটি সুন্দর, স্বাস্থ্যকর, উদ্যমী এবং একতাবদ্ধ ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার জন্য সমর্থন কামনা করেছেন।

১০ মাস আগে

মহাসাগর গ্রুপের আইটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান "মহাসাগর হোস্ট"-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। গত ১৮ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুর ১২ নম্বরে অবস্থিত দ্য গোল্ডেন সান রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয় এর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহাসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল হাসিম রাশেদ। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন মহাসাগর আইটি সলিউশন-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শিব্বির আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় টকশো ব্যক্তিত্ব ড. ফয়জুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য ইসলামিক বক্তা মাহবুব ইজ্জতউদ্দিন তাহেরী যাবেরী আল মাদানী। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন কারী আজিজ আল কায়সার। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন মহাসাগর গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ সাইফুল করিম। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন খাতের ২০০-এর অধিক কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (MD), প্রধান নির্বাহী (CEO) ও গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন বিশিষ্টজনেরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (e-CAB) নির্বাচনের বিভিন্ন প্রার্থী ও ভোটাররাও। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ইসলামিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যেখানে পরিবেশন করেন দেশের খ্যাতনামা শিল্পী ওবায়দুল্লাহ তারেক এবং কলরব শিল্পীগোষ্ঠীর ইকবাল মাহমুদ। অনুষ্ঠান শেষে মহাসাগর ডোমেইন ও হোস্টিং সার্ভিস সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর শিব্বির আহমেদ। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও ডিনারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়

১০ মাস আগে

মন্তব্য প্রতিবেদন

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে হাজিরহাট হামেদিয়া কামিল এম এ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হোসেনকে জড়িয়ে আনিত অভিযোগ তথা মাদ্রাসার বই বিক্রি নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রতিষ্ঠানে গণমাধ্যম কর্মীদের ডেকে এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তিনি।  এছাড়া অভিযোগের আলোকে কমলনগর মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে তদন্তে পাঠান। শিক্ষা কর্মকর্তা সকাল থেকে তদন্ত করে বই বিক্রির কোন প্রমাণ পায়নি বলেও জানান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা হুমায়ুন কবির, মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সহসভাপতি আকতার হোসেন মিলন, সদস্য ডা: মোশাররফ হোসেন ও আবুল বয়ান সহ অন্যান্যরা। অধ্যক্ষ বলেন, শনিবার মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় তিনি লক্ষ্মীপুর নিজের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। বেলা ১২টার দিকে পুরনো কাগজপত্র ক্রয় করতে পিকআপ নিয়ে কিছু লোক মাদ্রাসায় আসেন। ওই সময় তার প্রতিষ্ঠানের পিয়ন আবদুর রহিম ওই পিকআপে ২০২৫ সালের নতুন বই দেখে পিকআপ থেকে বইগুলো নামিয়ে নেন। এই বইগুলো অন্য জায়গা থেকে কিনে এনেছে বলে পিকআপ চালক জানালে তিনি শুনেননি। এরপর মাদ্রাসা মসজিদের মুয়াজ্জিন বইসহ পিকআপের ছবি তুলেন। পরে রোববার বিকালে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বই বিক্রির অভিযোগে নিউজ প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। পরে সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাহাত উজ জামান মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে তদন্তে পাঠান। শিক্ষা কর্মকর্তা সকাল থেকে তদন্ত করছেন। ওনি তদন্তে বই বিক্রির কোন প্রমাণ পাননি। তিনি বলেন আমাদের চাহিদা অনুযায়ী বই আনা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা অনুযায়ী বই বিলি হয়েছে। আর বাকি বই আমাদের স্টোরে অবশিষ্ট আছে। তিনি আরো বলেন, হাজিরহাট হামেদিয়া কামিল মাদ্রাসা এ অঞ্চলে একটি ঐতিহ্যবাহী দীনি প্রতিষ্ঠান। একটি পক্ষ এ প্রতিষ্ঠানে সুনাম ও আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রনোদিত। এ সময় সাংবাদিকদের কাছে মাওলানা দেলওয়ার হোসেন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি করেন।

৮ মাস আগে

২০২৪ এর ৪ঠা আগস্ট সকাল নয় টায় বাসা থেকে বের হয়ে সংবাদ সংগ্রহের লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে প্রথমে অপেক্ষমান থাকি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের কোটা বিরোধী আন্দোলন, তথা জুলাই আন্দোলনে রুপ নেয়া আন্দোলন চলমান। তারই ধারাবাহিকতায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত আছে। বিগত দিনের মতোই ৪ঠা আগষ্ট নিদিষ্ট কর্মসূচি দিয়েছে তারা। একইসঙ্গে আওয়ামীলীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগেরও কর্মসূচি আছে শহরের উত্তর স্টেশন(এখন আফনান চত্ত্বর হিসেবে পরিচিতি এলাকায়) উভয়ের ঘোষিত কর্মসূচির সংবাদ কাভারেজ করতে বের হয়ে গেলাম। আদর্শ সামাদ থেকে বাইকযোগে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে পরিস্থিতি অবলকন করছি। পথিমধ্যে দেখা হয় সহকর্মী অনুজ আমারদেশ জেলা প্রতিনিধি রাজিব হোসেন রাজুর সঙ্গে। যখন বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লোকজন বাগবাড়ীতে জড়ো হবে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ঝুমুরে অবস্থান করবে। তখন তাকেও (রাজুকে) বলি চলো বাগবাড়ীতে কোন একটা কিছু হচ্ছে বা হবে। যদিও তার অন্য আরেকটা সংবাদ কাভারেজ করতে হবে বলে আমার সাথে আর যায়নি। এসময় উত্তর তেমুহনী মোজাম্মেল হক ফিলিং স্টেশন (পেট্রল পাম্পের) সামনে বেশ কয়েকজন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা লাল চেয়ার বিছিয়ে বসে  তাদের অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। সেখান থেকে কিছু ভিডিও ফুটেজ নিয়ে বাগবাড়ী করিম টাওয়ারের সামনে অবস্থান নিয়ে দেখলাম বেশ কয়েকজন যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মী অবস্থান করছে। সময় তখন সাড়ে নয়টা। সেখানে তাদের হাতে লাঠি-সোটা ও লোহার রড নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে (তাদের ভাষায়) নাশকতা প্রতিরোধ করতে। প্রথমে ভাবছি তারা বুঝি ছাত্র আন্দোলনের লোকজন। পরে বেশি সংখ্যক লোক চিনতে পেরে নিশ্চিত হলাম তারা ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মী। পূর্বপরিকল্পিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে যখন শিক্ষার্থীরা বাগবাড়ীতে বিভিন্ন দিক থেকে আস্তে আস্তে জড়ো হচ্ছে। স্থানীয় কালী বাজার থেকে সিএনজি যোগে, মান্দারী-জকসিন কিংবা ঝুমুর এলাকা থেকে সিএনজি যোগে এবং ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের সামনে দিয়ে দক্ষিণ তেমুহনী হতে অটো সিএনজি যোগে ছাত্ররা এসে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করে। তবে সে সুযোগ দিচ্ছেনা ছাত্রলীগ যুবলীগ। একটু অপেক্ষা করতেই আন্দোলন করতে আসা ছাত্রদের মারধর শুরু করছে তারা। যাকেই পাচ্ছে তাকেই লাঠি সোটা দিয়ে মারধর করছে, লাথি-ঘুষি দিয়ে পুনরায় সিএনজিতে তুলে দেয় ফিরে যেতে বাধ্য করছে। এভাবে চলতে থাকে প্রায় আধা ঘন্টা। দুইজন তিনজন করে অন্তত ৫০জন শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয় তখন। এভাবে ১০ টা পর্যন্ত চলে। যখন লোহার রড দিয়ে মারধর করে তখন মাঝেমধ্যে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করছি এবং ছাত্রলীগ যুবলীগের হাত থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করা চেষ্টা করছি। মারধর না করে বুজিয়ে বলে ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করছি ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীদের। তখন শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে গিয়ে নিজেও একটু আঘাত প্রাপ্ত হই।  এসময় সাংবাদিক ইউছুফ সহ আরো একাধিক গনামধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সে সময় লক্ষ্মীপুর ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের ক্যামরা সহ আশপাশের সব গুলো সিসি ক্যামরা ভেঙ্গে ফেলে ছাত্রলীগ যুবলীগ। স্কুলটির সামনে জড়ো হয়ে ভাঙচুরও করে তারা। ছাত্রলীগের ধাওয়ায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী সম্ভবত স্কুলে ঢুকে পড়ে। ছাত্রলীগ বহু চেষ্টা করছে তাদের বের করতে কিন্তু পারেনি। আমি সহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম কর্মী এসব চিত্র দেখে যাচ্ছি আর ছবি তুলছি। তখন সংবাদ কাভারেজ করতে গিয়ে এটিএন নিউজের মেহেরাব হোসেন রবিন হুমকির শিকার হন। এরিমধ্যে হয়তো শিক্ষার্থীদের সহ-পাঠিরা খবর পেয়ে গেছে যে, বাগবাড়ীতে শিক্ষার্থীদের মারধর করা হচ্ছে। প্রায় অধাঘন্টার মধ্যে উত্তর তেমুহনী থেকে আসতে থাকে কিছু শিক্ষার্থী। “নারেয়ে তাকবির, আল্লাহ আকবার” স্লোগান দিয়ে অন্তত দেড়শ শিক্ষার্থী মুর্হুতেই একইস্থানে উপস্থিত হয়। সময় তখন সাড়ে ১০ টা। এরিমধ্যে ছাত্রলীগ-যুবলীগ দিব্দিক ছুটাছুটি করে পালিয়ে যায়। ভারী হতে থাকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহন। বাগবাড়ীর করিম টাওয়ার ও ঐতিহ্য কনভেনশন সেন্টারের সামনের মহাসড়কের উপর জড়ো হয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে এবং “কই গেলিরে শালারা আইছে তোদের বাবারা” তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার স্লোগান দিতে থাকে। পরবর্তীতে ১১ টার দিকে মিছিল নিয়ে ঝুমুর চত্ত্বর দিকে রওয়ান দেয় বেশ কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী সহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী। মাদাম পার হয়ে মিছিলটি যখন ঝুমুরে যাবে পথিমধ্যে সার্কিট হাউজের সামনে সদর থানা তৎকালীন (ওসি তদন্ত) পরবর্তীতে রায়পুর থানা অফিসার ইনচার্জ নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে বহু সংখ্যক পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় আমিও মিছিলের ছবি তুলতে তুলতে সামনে এগিয়ে গিয়ে পুলিশের সামনে হাত উঁছিয়ে দাঁড়িয়ে যাই। যেন বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা পুলিশের দিকে ইটপাটকেল না মারতে পারে।কোন ক্ষতি না করতে পারে। তবে হাজার হাজার আন্দোলরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিছু ক্ষুব্দ ছাত্র-জনতা ইট-পাটকেল মারার চেষ্টা করে। যদিও আমি আমার হাতে থাকা মাছরাঙা টেলিভিশনের বুম নাড়িয়ে চলে যেতে বলি। সেখানেও দুই একটা ইটের আঘাত লেগে আমি একটু আহত হই। একপর্যায়ে আমার সাথে যোগ হয় নেতৃত্বদানকারী কিছু শিক্ষার্থীও হাতে হাত রেখে পুলিশকে প্রটোকল দেই। সবাই মিছিল নিয়ে ঝুমুরে ইলিশ চত্ত্বর তথা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনেই অবস্থান নিয়ে এক দফার দাবিতে টানা আন্দোলন চলতে থাকে।  সংবাদ কাভারেজ করতে গিয়ে সকালের নাস্তা এখনো করার সুযোগ হয়নি। প্রায় এক ঘন্টা পর প্রতিরোধের ভারী প্রস্তুতি নিয়ে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ বিশাল মিছিল যোগে বাগবাড়ী হয়ে মাদাম ব্রিজের উপর দিয়ে ঝুমুরে দিকে আসতে থাকে। ঝুমুরে অবস্থানরত শিক্ষার্থী-জনতা প্রথমে ভাবছে তাদেরই সহকর্মী কিংবা তাদেরকে সহমর্মিতা জানিয়ে আন্দোলনকারীদের আরো কিছু অংশীজন এগিয়ে আসছে। এসময় স্বাগত জানিয়েছে শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ। যখন মাদাম ব্রিজ থেকে নেমে সার্কিট হাউস পার হয়ে জজকোর্টের পশ্চিম গেইটে চলে আসে, তখন শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারছে তারা আওয়ামীলগ-যুবলীগ ছাত্রলীগ। বিষয়টি তখনই তখন ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থেকে দুই একটা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হলে শিক্ষার্থীরা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে যায় যে, তাদের প্রতিপক্ষ। মুহুর্তেই পাল্টে যায় পরিস্থিতি। শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ প্রতিরোধ করতে সামনে এগিয়ে আসে আবার কেউ পিছিয়ে যাবার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি কিভাবে মোকাবেলা করবে তখনও ভাবছে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতা। তবে কিছু বুজে উঠার আগেই সংঘর্ষে রুপ নেয়। জয় বাংলার স্লোগান দিয়ে ধর ধর বলে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করলে মুহুর্তেই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও জনতার ভিড়। দিব্দিক ছুটাছুটি করে একজন এক এক দিকে পালিয়ে যায়। এসময় সামনে যাকে পাচ্ছে তাকেই লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এরমধ্যে বেশ কয়েকজন হামলার শিকার হয়। আমার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে আমি ফুটেজ নিচ্ছি।আমার উপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে সাংবাদিক বুজতে পেরে কিছু বলেনি। তখনো আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগের মিছিল পিছন থেকে সামনে আরো অগ্রসর হচ্ছে। এমবস্থায় মুহুর্তেই আবারো নারায়ে তাকবির স্লোগান দিয়ে ধর ধর বলে পাল্টা ধাওয়া দেয় ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী। একপর্যায়ে যোগ হয় সকল শিক্ষার্থী আন্দোলরত মানুষ তাদের সঙ্গে।চলতে থাকেদুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামীলীগকে সামনে থেকে পিছন থেকে ইউট্রান করে পালাতে থাকে। প্রতিপক্ষকে ধাওয়া করতে করতে মাদাম ব্রিজ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ছুটে যায়। সেখানেই গুলিবিদ্ধ হয় শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত সাদ আল আফনান নামে লক্ষ্মীপুর ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী। এদিকে ছাত্রলীগ যুবলীগের কেউ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে, কেউ আদালতের ভিতরে, কেউ সার্কিট হাউজের ভিতর ঢুকে পড়ে। তবে ঘটনাস্থলে আটকে যায় লক্ষ্মীপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পিও। সে ছাত্র-জনতার রোষানলে পড়ে। একইসময় সিএনজিযোগে আসা চারজন কোর্ট পুলিশের সদস্য আহত হয়। আমি নিজেও লাঠি লোহার রডের আঘাতে মারত্বকভাবে আহত হই। আমার হাতে পায়ে ও বুকে-পিটে মারত্বক আঘাত লাগে। এরপরও আমি কোর্ট পুলিশদের উদ্ধার করে কোর্টের ভিতর ঢুকিয়ে দেই আর ছাত্রলীগের পিও কে উদ্ধার করে সিএনজি যোগে হাসপাতালে নিয়ে যাই। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে গিয়ে দেখি সাদ আল আফনান সহ ছাত্র-জনতা ও ছাত্রলীগ যুবলীগের অনেকেই জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছে। আফনানের অবস্থা দেখে তখনি আমি ধারণা করছি যে, সে হয়তো আর বাঁচবেনা। তখন লারি বাড়ীর জনি নামে পরিচিত ছোট ভাই জরুরী বিভাগের আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে ব্যস্ত ছিল। তখন তাকে ইশারা দিয়ে বলার চেষ্টা করি আফনান এবং পিওকে যেন ভালো চিকিৎসা দেয়। কারণ তারা কে কোন দল সেটা বিবেচ্য বিষয় ছিলনা। দুই জনই মারত্বক আহত। (তবে আফনানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ছাত্রলীগ যুবলীগের লোকজন)। মাদাম ব্রিজ এলাকায় তখনো দুই পক্ষের সংঘর্ষ চলমান। যখন হাসপাতালে দুই পক্ষের লোকজনের চিকিৎসা চলছে। আফনানকে আমি চিনিনা। তবে যারা উদ্ধার করছে তাদের ভাষ্যমতে বুজলাম সে আন্দোলরত একজন শিক্ষার্থী ছিল। তাৎক্ষনিক তার কলেজ ব্যাগ ও মোবাইল আমি নিজ দায়িত্বে রাখি। তার মাকে ফোন দিয়ে জানাই যে তার ছেলে অসুস্থ্য হয়ে হাসপতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাকে চিকিৎসা করতে আমি সহযোগিতা করি। হাসপাতালে মাকে আসতে বলি। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয় চিকিৎসকরা। পথেই সে মারা যায়। নিউজ কাভারেজের জন্য সেখান থেকে ছবি ভিডিও আমার প্রয়োজনমতে সংগ্রহ করি। এবং একপর্যায়ে হাসপাতাল ছেড়ে বের হয়ে আসি। এর আগে হাসপাতালের দ্বিতলায় একটা ছেলে কাতরাচ্ছে। সে পিঙকি প্লাজায় ১ টু ৯৯ দোকানের কর্মচারী ছিল। তাকে ছাত্রলীগ ভেবে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে শিক্ষার্থীরাই হাসপতালের নিয়ে আসে। মারত্বক আহত হওয়ায় সে কথা বলতে পারেনা। কোন রকম কথা শুনে বুজলাম তার বাড়ী শরীয়তপুর। এই মুহুর্তে তার সাথে কেউ নাই কে দেখবে কে সহযোগিতা করবে। পরে আমি তার নাম ঠিকানা অনুযায়ী আমার সহকর্মী শরীয়তপুর মাছরা টেলিভিশনের প্রতিনিধিকে ফোন দিয়ে জানাই। তার ঠিকানা সংগ্রহ করে পরিবারকে জানিয়ে তাকে শরীয়তপুর পাঠানোর চেষ্টা করি। দুই দিন পর এম্বুলেন্স যোগে শরীয়তপুর পাঠানো হয়। (প্রসঙ্গত- আরো বেশ কিছু ঘটান এরিমধ্যে আছে।) এদিকে সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি ছাত্রলীগ যুবলীগ নেতাকর্মীরা মাদাম থেকে ফিরে এসে জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি সালাহ উদ্দিন টিপুর বাস ভবনে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরাও আস্তে আস্তে বিভিন্ন সড়ক ব্যবহার করে বাজারের দিকে আসতে থাকে। কেউ উত্তর তেমুহনী হয়ে কেউ হ্যাপী সিনেমার সড়ক হয়ে বাজারে এগিয়ে গেছে। একপর্যায়ে নতুন করে উভয়ের মধ্যে বাঁধে সংঘর্ষ। প্রথমে ইটপাটকেল পরবর্তীতে টানা গুলিবর্ষণ। শিক্ষার্থীরাও সড়কে অবস্থান করে প্রতিরোধ প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। তিতাখাঁ মসজিদের গেইটের তালা ভেঙ্গে ছা্ত্ররা মসজিদের মাইক ব্যবহার করে বার বার ঘোষণা দিচ্ছে সাবাই এগিয়ে যাও, সামনে যাও, কেউ পিছ পা হবেনা। আন্দোলনকারীরা ভূমি কার্যালয় ও বাজারের তমিজ মার্কেট এলাকায় আসলে প্রয়াত সাবেক মেয়র আবু তাহেরের বাসার ছাদ থেকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান টিপুর নেতৃত্বে প্রায় আড়াই ঘন্টাব্যাপী গুলি বর্ষণ করা হয়। (যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল)। আহত হয় শত শত ছাত্র-জনতা। কিছুক্ষণ পরেই গুলির শব্দ আর অটোরিকশাযোগে একজন দুইজন তিনজন করে রক্তাক্ত অবস্থায় সহপাঠিরা নিয়ে যাচ্ছে হাসপাতালে। সে সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে কাউছার আহমেদ বিজয়, ওসমান গণি ও সাব্বির আহমেদ নামে তিনজন শিক্ষার্থী মারা যায়। আহতদের উদ্ধার করে রিকশা অটো করে একের পর এক করে উত্তর স্টেশন হয়ে আধুনিক হাসপাতাল, নোভা ট্রমা, মডেল হাসপাতাল সহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তখন সময় দুপুর ১টা থেকে চলে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। আমিও হাসপাতাল থেকে মিয়া বাড়ীর সড়ক দিয়ে আলিয়া কামিল মাদরাসার সামনের সড়ক হয়ে ক্লাবে অবস্থান করি। তখন নিউজ কাভারেজের মধ্যে ক্লান্ত হয়ে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম পাবেল সহ বেশ কিছু সংখ্যক সাংবাদিক অবস্থান করি। এরমধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়ে তারা। প্রথম আলো প্রতিনিধি এ বি এম রিপন ভাই একটা ছবি তুলতে গেলেই শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্দ হয়ে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে। তাদেরকে বুজানোর চেষ্টা করা হয় যে, সাংবাদিকরা তোমাদের জন্য নিউজ কাভার করছে। এদিকে গুলিবিদ্ধ হয়ে একের পর এক আসতে থাকে। শিক্ষার্থীরা বলছে আপনারা টিপু গুলি করার ছবি কেন নিচ্ছেনা। কেন আমাদের ছবি নিচ্ছেন। তাদের বুজানো হচ্ছে যে, আমাদের অন্য সহকর্মীরা সেখানে আছে। আমরা সবাই ক্লাবে হলরুমে বসে বসে কথা বলছি। কিছু বুজে উঠার আগেই ক্লাবের গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। সে সময় আমি নিজেই পুনরায় মারত্বক আহত হই। আমার মাথায় গ্লাস ও ইটের আঘাত লাগে। এর আগে ক্লাবের বাইরে আমার পিঠে ককটেলের স্প্লেন্টার পড়ে মারত্বক আঘাত প্রাপ্ত হই। পরে ক্লাবের প্রচার সম্পাদক নাজিদ উদ্দিন রানা সহ শিক্ষার্থীদের বুজানো হলে শিক্ষার্থীরা ক্ষান্ত হওয়ার পর ক্লাবের পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।  আস্তে আস্তে বাজারমুখি সংঘর্ষের ঘটনাস্থলে তথা তিতাখা ও টিপুর বাসভবনের দিকে এগুতে থাকি। শাখারীপাড়া সড়কে গিয়ে দেখি তিনজনের মরদেহ। দুপুর ১ টা বাজে ৩০ মিনিট শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধের মুখে বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে নিহত হয় টুমচরের ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা হারুনুর রশিদ, তানজীদ হায়দার রিয়াজ ও আহমেদ শরীফ। সালাহ উদ্দিন টিপুর বাস ভবন থেকে নেমে পিছনের সড়ক ব্যবহার করে পালিয়ে যাবার পথে শাঁখারীপাড়া সড়কে শিক্ষার্থীদের সামনে পড়ে। সেখানেই হামলা শিকার হয়ে মারা যায় তারা। ছাত্রলীগ নেতা রাকিবুল হাসান সিফাত, প্রথমে আগুনে পুড়ে গিয়ে নিচে লাফ দিলে সেখানেই হামলা শিকার হয়, তাওহিদ কবির রাফি, ইউছুফ, এবং সুজন ছাদ থেকে নেমে আসলে তারাও হামলার শিকার হয়ে মারা যায়। সময় আনুমিানিক বিকেল ৪টা। এভাবে চলতে থাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এদিকে থমথমে বিরাজ করছে পুরো লক্ষ্মীপুর জেলা। এরিমধ্যে গুলির কোন শব্দ নাই। ছাদেও কাউকে দেখা যাচ্ছেনা। পরবর্তীতে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতা মেয়র তাহের ও টিপুর বাসভবন আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। যদিও তারা ছাদে উঠে পালিয়ে থাকে। পুরো রাতভর অবস্থান নেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে সেনাবাহিনী সহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে টিপুসহ তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন উদ্ধার হয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এদিকে একই দিন বিকেলে জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক এড. নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের বাস ভবন, পৌর মেয়র আওয়ামীলীগ নেতা মোজাম্মেল হায়দর মাসুম ভূ্ঁইয়ার বাস ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা। তাছাড়া রাতে সাবেক ছাত্রলীগ সেক্রেটারী রাকিব হোসেন লোটাসের বাস ভবনে আগুন দেয় তারা। পুরো লক্ষ্মীপুর শহর আন্দোলনরত শিক্ষার্থী-জনতার দখলে ছিল। দোকান-পাট বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা অনেকেই তাদের নিরাপত্তায় বাসা-বাড়ীতে ঢুকে যায়।  পুরো দিনের সংবাদ কাভারেজ করতে গিয়ে তিনটি স্পটে আমি নিজেও আহত হই। খাওয়া নেই নাওয়া নেই। নিজেই ঠিকমতো আর দাঁড়াতে পারছিনা। তাছাড়া আমার অনেক সহকর্মী সংবাদ কাভার করতে গিয়ে বারংবার হুমকি ও খারাপ পরিস্থিতির শিকার হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পুরোদিন তারা সংবাদ কাভার করেছে। এমন পরিস্থিতি দেশের তরে আর না আসুক। এমনটাই প্রত্যাশা করছি। বিঃদ্রঃ- এরপর আরো অনেক ঘটনা ঘটেছে যেটি আয়ত্তে আনতে পারিনি।  

১০ মাস আগে

প্রশাসন

মাত্র ১০১ টাকা খরচে পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে চাকরি পেয়ে স্বপ্ন পূরণ করেছেন লক্ষ্মীপুরের ৩২ তরুণ-তরুণী। শতভাগ মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে জেলা পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তারা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন। গত রোববার (১৭ মে) রাতে লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্সে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক। ফল প্রকাশের পরপরই উত্তীর্ণ প্রার্থী ও তাদের স্বজনদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কনস্টেবল পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয় গত ১৮ এপ্রিল। মোট ৯১৭ জন প্রার্থী আবেদন করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৬৮২ জন প্রার্থী মাঠ পর্যায়ের শারীরিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তী ধাপে ১৪৭ জন লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হন। লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ১৪৫ জন প্রার্থী। সেখান থেকে ৪৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) জন্য নির্বাচিত করা হয়। সবশেষ ধাপে ৩২ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়। এছাড়া ৫ জনকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া প্রার্থীরা জানান, কোনো ধরনের ঘুষ, তদবির বা সুপারিশ ছাড়াই শুধুমাত্র মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পাওয়া তাদের জীবনের বড় অর্জন। মাত্র ১০১ টাকা আবেদন ফি দিয়ে এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে সফল হওয়াকে তারা ভাগ্যের পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। চাকরি পাওয়া একাধিক প্রার্থী বলেন, তারা কৃষক, দিনমজুর ও স্বল্প আয়ের পরিবারের সন্তান। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল সরকারি চাকরি করার। স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জেলা পুলিশ প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক বলেন, ‘নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিয়মনীতি অনুসরণ করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীরাই নির্বাচিত হয়েছেন। পুলিশের চাকরি নিয়ে যে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে, এই নিয়োগ তার বিপরীতে একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইদুর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কামরুল ইসলামসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

২ সপ্তাহ আগে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে লটারি মাধ্যমে সারাদেশে পুলিশ সুপারদের বদলি ও বিভিন্ন স্থানে পদায়ন করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগ বিধি অনুযায়ী বদলির জনিত কারণে অশ্রুসিক্ত বিদায় নিচ্ছে এসপি আক্তার হোসেন। গত ৫ আগস্টের পর প্রথমবারের মতো পুলিশ সুপার হিসেবে লক্ষ্মীপুরে পদায়ন হন তিনি। প্রায় দেড় বছর যাবত জেলা বাসির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত বেশ কয়েকটি হত্যার ঘটনা ঘটলেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছেন তিনি। এসব হত্যাকান্ডের মুল হোতা বা প্রধান আসামীদের দ্রুত সময় গ্রেফতারের সক্ষমতা অর্জন করেছেন তিনি। জনসাধারণের কল্যাণে পুলিশকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি সেবাব্রত হয়ে রাত জেগে  দায়িত্ব পালনে অসংখ্য নজির রয়েছে পুলিশ সুপার আক্তার হোসেনের। বিদায় বেলায় অশ্রুসিক্ত হয়েছেন সহকর্মী কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের জনসাধারণ। ইতিমধ্যে জেলার বিভিন্ন থানায় আনুষ্ঠানিক বিদায় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ কর্মযজ্ঞে অংশ নেন তিনি। জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় সাক্ষাতের মাধ্যমে শেষ বিদায় দিয়েছেন বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রেনি পেশার মানুষ। কেউ কেউ স্মৃতিচারণ হিসেবে নিজেদেরকে ক্যামেরা বন্দি করে রেখেছেন। পুলিশ সুপার আক্তার হোসেন  ২৫ তম বিসিএস কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি ঢাকায় পিবিআই তে পদায়িতে হয়েছেন।

৬ মাস আগে

ঘুষ নয়, তদবির নয়। মাত্র ১২০ টাকার ব্যাংক ড্রাফটেই পুলিশে চাকরি পেয়েছেন লক্ষ্মীপুর জেলার ২৪ জন তরুণ-তরুণী। সৎ, সাহসী এবং মেধাবীদের স্বচ্ছতার সাথে বাছাই করে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্সে কনস্টেবল পদে নিয়োগের ফলাফল ঘোষণার পর আবেগে আপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে অনেকে। শুধু তা-ই নয় এজন্য অভিভাবকরাও আনন্দিত। তাদের অধিকাংশই নিন্ম ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।  জেলা পুলিশ বিভাগ জানায়, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেতে ৯১০ জন আবেদন করেন। এরমধ্যে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন ৪৭ জন। সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষা শেষে ২৪ জনকে নিয়োগের জন্য বাছাই করা হয়। উত্তীর্ণের তালিকায় নিজের নাম শুনে বাবাকে জড়িয়ে সদরে উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামে বাহার উদ্দিন শরীফ নামে এক প্রার্থী। তিনি হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার বাবা হচ্ছেন একজন খামারি। জানতে চাইলে শরীফ বলেন, ১২০ টাকায় আবেদনে চাকরি পেয়েছি। আমি দেশপ্রেম বজায় রেখে জনকল্যাণে সততার সঙ্গে কাজ করব। শরীফের বাবা হুমায়ুন বলেন, অভাবের কারণে নিজে পড়ালেখা করতে পারিনি। কষ্ট করে সন্তানদের পড়ালেখা করাচ্ছি। যোগ্যতার ভিত্তিতে ছেলের চাকরি হওয়ায় আমি খুশি। একইভাবে অভিব্যক্তি প্রকাশ করে আনন্দে আত্মহারা সুমাইয়া আক্তার। তিনি বলেন, ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তিনি মায়ের সঙ্গে আনন্দে কান্না করেন। নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন বলেন, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মধ্য দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ অতিক্রম করা হয়েছে। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ২৪ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫ জনকে অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তরা দেশপ্রেম ও জনগণের সেবায় জুলাই আন্দোলনের স্পিড ধারণ করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।  

৮ মাস আগে