২৭ জুন ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে হত্যার ঘটনায় গণপিটুনিতে নিহত মূল অভিযুক্ত অন্তর মজুমদারের (২৮) মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। স্বজনরা মরদেহ নিতে রাজি না হওয়ায় পুলিশ জোর করে তা হস্তান্তর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৭ জুন) রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া জানান, মরদেহ গ্রহণে স্বজনরা প্রথমে অনাগ্রহ দেখান। পরে সংশ্লিষ্ট থানা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যের সহযোগিতায় নিহতের এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়কে এনে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াকুব বলেন, অন্তরের বাড়ি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরভাটা এলাকায়। স্বজনরা মরদেহ নিতে রাজি না হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় একজন আত্মীয়ের কাছে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. অরূপ পাল জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ওসি শাহীন মিয়া আরও জানান, অন্তর মজুমদারের মৃত্যুর ঘটনায় রায়পুর থানার এসআই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা নদীপাড় এলাকায় একটি বাসায় ঢুকে অন্তর মজুমদার ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাহিনুর বেগম (৩৮) ও তার তিন মেয়ে—সায়মা আক্তার (২১), নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) এবং ফাতেমা আক্তার শিফাকে (৯) কুপিয়ে হত্যা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় জনতা অন্তরকে গণপিটুনি দিলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
২ দিন আগে
২ সপ্তাহ আগে
১ মাস আগে
৬ মাস আগে
৯ মাস আগে
১ দিন আগে
২ দিন আগে
২ সপ্তাহ আগে
১ মাস আগে
৬ মাস আগে
৯ মাস আগে