মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ , (০১:২৬ AM) / ৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দূযোগ-দূর্ভোগ

প্রশাসনের অব্যাহত অভিযান দম খুলছে জলাবদ্ধতার

স্টাফ রিপোর্টার   লক্ষ্মীপুর

১৬ জুলাই ২০২৫


সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে অভিযান
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে অভিযান | ছবি: নয়া চাঁদ

জেলার বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় প্রভাবশালী ও অসাধু ব্যক্তিদের খামখেয়ালীপনায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। খালে-বিলে অবৈধ বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষ ও ফসল ফলানোর কারণে এমন দূর্ভোগে পড়তে জেলাবাসীকে। গত বছর এসব বাঁধের কারণে বন্যার কবলে পড়ে লক্ষ্মীপুরের মানুষ। গত বছরের বন্যায় লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন খালে পানি প্রবাহে বাধাগ্রস্ত হয়। যার কারণে লক্ষ্মীপুর জেলায় বন্যার পানি এক মাসের অধিক সময় থাকে। মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পানি বন্দি হয়ে পড়ে। লক্ষ্মীপুরে বৃৃষ্টির পানি ও ফেনী নেয়াখালী থেকে বন্যার পানি নির্বিঘেœ মেঘনা নদীতে যেতে পারে সেজন্য সদর উপজেলা প্রশাসন কাজ শুরু করেছে। এ কাজের ফলে লক্ষ্মীপুরে কৃষি ও মৎস্য খাতের ৪০০ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা হবে বলে ধারণা করছে স্থানীয় সচেতন মহল। গত শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলার বাঙ্গাখা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনের খাল থেকে এমন কার্যক্রম শুরু করা হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামসেদ আলম রানার উপস্থিতিতে খালের মধ্যে বাঁধ ও কচুরীপানা অসারন করা হয়। এসব অবৈধ বাঁধ অপসারণ করছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। জেলা সদরের ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে খাল পরিস্কার -পরিচ্ছনতায় ও অপসারন শুরু করেছে সদর উপজেলা প্রশাসন। তাছাড়া সদর উপজেলার জকসিন বাজার থেকে শুরু হয় থেকেও অভিযান। এই অভিযান চলে মান্দারী বাজার পর্যন্ত। অভিযানের নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জামশেদ আলম রানা। এসময় খালের ওপর বাধঁ, জাল দিয়ে মাছ শিকার করার ফাঁদ ও কচুরিপানা পরিস্কার করা হয়। পরিস্কার- পরিচ্ছন্নতায় ও অপসারণ কাজে যোগদেন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। এতে করে শহরের যেসব স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, দ্রুত সময়ে নিষ্কাশন করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করেন স্থানীয়রা। এছাড়াও ভুলুয়া নদী, ডাকাতিয় ও রহমতখালী খালসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার নদী খালে অবৈধ স্থাপনা জালের বাঁধ ও কচুরীপানা অপসারণের কার্যক্রম শুরু করেছে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা বলেন, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয়রা। তাই মাস জুড়ে বিভিন্ন খালে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ ও অপসারন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতা বিভিন্ন স্বেচ্চাসেবী সংগঠনগুলোকে সঙ্গে নিয়ে জকসিন থেকে মান্দারী পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার খাল অপসারন, পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নতা শুরু করা হয়েছে। এটি চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।