০৪ নভেম্বর ২০২৬
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ ইস্রাফিল বলেন, এ শাপলা বাগানটি এ অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ তৈরি করেছে। প্রতিদিন সকালেই এখানে অনেক নারী-পুরুষ আসেন। আশপাশে এমন সুন্দর পরিবেশ আর কোথাও না থাকায় মানুষ এখানে এসে সময় কাটান। এ উদ্যোগের পেছনে যার অবদান, তিনি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম। নিজের জায়গায় স্ব-উদ্যোগে তিনি কাজটি করেছেন। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাই।
লক্ষ্মীপুর থেকে আসা শিক্ষার্থী মিম বলেন, অনেকের কাছ থেকে এ বাগানটির কথা শুনেছি। আজ পরিবারের সঙ্গে দেখতে এসেছি। খুব সুন্দর। বাগানটি বেশ উপভোগ করেছি।
কলেজ শিক্ষার্থী মো. ফুহাদ হাসান বলেন, বাগানটি প্রাকৃতিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখানে ঘুরতে আসেন। তবে কেউ কেউ ফুল ছিঁড়ে ফেলছেন, যা ঠিক নয়। এতে বাগানটি তার সৌন্দর্য হারাবে এবং প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হবে।
শাপলা বাগানের উদ্যোক্তা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শখ থেকেই বাগানটি করেছি। আমার উদ্যোগে অন্যদেরও ভালো লাগা তৈরি হচ্ছে, এতে আমি খুশি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী করেছি। অনেক কিছুই করতে ইচ্ছে করে, কিন্তু সামর্থ্যের ব্যাপার আছে। আমাদের এদিকে দেখার মতো তেমন কিছু নেই। শাপলা বাগানটি এখন অনেকের ভালো লাগার জায়গা, আমারও ভালো লাগে।